ঢাকার সংরক্ষিত নারী আসন শূন্য: বাউফলে সালমা আলম লিলিকে ঘিরে তৃণমূলের জোরালো প্রত্যাশা
পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
ঢাকার সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগের কারণে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা করেছে সংসদ সচিবালয়। গত ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে আসনটি শূন্য হওয়ার পর থেকেই পটুয়াখালীর রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। বিশেষ করে বাউফল উপজেলা থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও তৃণমূলের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়
সালমা আলম লিলি তালুকদারকে এই আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চান স্থানীয় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ।
সালমা আলম লিলি প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শহিদুল আলম তালুকদারের সহধর্মিণী। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বাউফল উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্র ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড বাউফলের তৃণমূল পর্যায়ে দলের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, বাউফলের তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম বেগবান করতে, নারী নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করতে এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ ও অবদানের সঠিক মূল্যায়ন করতে সালমা আলম লিলিকে এই সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দেওয়া অত্যন্ত সময়োপযোগী হবে। এ বিষয়ে চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
বাউফলের কেশবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি বলেন, "শহিদুল আলম তালুকদারের রাজনৈতিক আদর্শ এবং সালমা আলম লিলির নিজস্ব সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা বাউফলের রাজনীতিতে এক অনন্য অবস্থান তৈরি করেছে। তাঁকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়া হলে তা বাউফলের সামগ্রিক উন্নয়ন ও রাজনৈতিক গতিশীলতাকে এক ধাপ এগিয়ে নেবে।"
নাজিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বলেন, "আসন্ন মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় দলের নীতিনির্ধারকরা মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের মতামত ও ত্যাগের বিষয়টি গুরুত্ব দেবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সালমা আলম লিলিকে সংসদ সদস্য হিসেবে সুযোগ দেওয়া হলে বাউফলের নারী নেতৃত্ব আরও দৃশ্যমান হবে এবং স্থানীয় মানুষের দাবি জাতীয় সংসদে জোরালোভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।"
কেশবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দীন জামসেদ মাতুব্বরসহ অন্যান্য নেতাকর্মীদেরও একই সুর। তাঁদের প্রত্যাশা, দলীয় হাইকমান্ড সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে তৃণমূলের এই দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করবেন। এখন দেখার বিষয়, শূন্য হওয়া এই সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি কাকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়।
দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন
আপনার মতামত লিখুন: