• ঢাকা
  • রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১

Advertise your products here

  1. আইন ও আদালত

ছাত্রীকে বিয়ে করে মুশতাকের কাণ্ড : আদালতে ধর্ষণ মামলা


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ আগষ্ট, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ১২:১১ পিএম
ছাত্রীকে_বিয়ে_করে_মুশতাকের_কাণ্ড_আদালতে_ধর্ষণ_মামলা
ফাইল ফুটেজ

কলেজ ছাত্রীকে প্রলোভন ও জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে রাজধানীর মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির দাতা সদস্য খন্দকার মুশতাক আহমেদকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় আইডিয়ালের অধ্যক্ষ ফাওজিয়া রাশেদীকেও আসামি করা হয়েছে। বাবা মো. সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন ভুক্তভোগী কলেজ ছাত্রীর।

বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) বাদীপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গত ১ আগস্ট ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮ এর বিচারক বেগম মাফরোজা পারভীনের আদালতে এ মামলার আবেদন করা হয়। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গণ্য করে নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণের আদেশ দিয়েছেন। মামলার আরজিতে বাদী উল্লেখ করেন, তার মেয়ে (ভুক্তভোগী) মতিঝিল আইডিয়ালের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। আসামি মুশতাক বিভিন্ন অজুহাতে কলেজে আসতেন এবং ওই ছাত্রীকে ক্লাস থেকে অধ্যক্ষের কক্ষে ডেকে আনতেন।

খোঁজ-খবর নেওয়ার নামে আসামি তাকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে প্রলুব্ধ করতেন। ওই ছাত্রীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছুদিন পর আসামি মুশতাক কুপ্রস্তাব দেন। ভুক্তভোগীকে তুলে নিয়ে গিয়ে এতে রাজি না হওয়ায় জোরপূর্বক বিয়ে করেন। ঢাকা ছাড়া করবে বলে হুমকি দেন পরে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে । আইডিয়াল অধ্যক্ষকে (২ নম্বর আসামি) ব্যবস্থা নেওয়ার মুশতাকের এ ধরনের আচরণের বিষয়ে অনুরোধ করেন ভুক্তভোগী। তবে আসামি মুশতাককে তার রুমে নিয়ে আসেন তিনি (অধ্যক্ষ) ব্যবস্থা করছি বলে। রুমের দরজা বন্ধ করে দিয়ে সেসময় ভুক্তভোগীকেও ক্লাস থেকে নিয়ে এসে মুশতাককে সময় ও সঙ্গ দিতে বলেন।

আরও পড়ুন>> ২৭ টাকার জন্য বাবা-ছেলের যাবজ্জীবন!

এ বিষয়ে বাদী কলেজের অধ্যক্ষের কাছে প্রতিকার চাইতে গেলেও কোনো সহযোগিতা করেননি। বরং আসামি মুশতাককে অনৈতিক কাজে সাহায্য করে আসতে থাকেন। বাদী উপায় না পেয়ে গত ১২ জুন তার মেয়েকে ঠাকুরগাঁওয়ের বাড়িতে নিয়ে যান। পরে আসামি মুশতাক তার লোকজন দিয়ে তার মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে যান। এরপর বাদী জানতে পারেন মুশতাক ভুক্তভোগীকে একেক দিন একেক স্থানে রেখে অনৈতিক কাজে বাধ্য করেছেন এবং যৌন নিপীড়ন করেছেন।

কলেজ ছাত্রীকে প্রলোভন ও জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে রাজধানীর মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির দাতা সদস্য খন্দকার মুশতাক আহমেদকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় আইডিয়ালের অধ্যক্ষ ফাওজিয়া রাশেদীকেও আসামি করা হয়েছে। ভুক্তভোগী কলেজ ছাত্রীর বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন বাবা মো. সাইফুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) বাদীপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অন্যান্য খবর>> নাটোরের 'কাঁচাগোল্লা' পেল জিআই স্বীকৃতি!

তিনি বলেন, গত ১ আগস্ট ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮ এর বিচারক বেগম মাফরোজা পারভীনের আদালতে এ মামলার আবেদন করা হয়। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গণ্য করে নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণের আদেশ দিয়েছেন। মামলার আরজিতে বাদী উল্লেখ করেন, তার মেয়ে (ভুক্তভোগী) মতিঝিল আইডিয়ালের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। আসামি মুশতাক বিভিন্ন অজুহাতে কলেজে আসতেন এবং ওই ছাত্রীকে ক্লাস থেকে অধ্যক্ষের কক্ষে ডেকে আনতেন। খোঁজ-খবর নেওয়ার নামে আসামি তাকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে প্রলুব্ধ করতেন।

ওই ছাত্রীকে তার ইচ্ছার কিছুদিন পর আসামি মুশতাক বিরুদ্ধে কুপ্রস্তাব দেন। ভুক্তভোগীকে তুলে নিয়ে গিয়ে এতে রাজি না হওয়ায় জোরপূর্বক বিয়ে করেন। ঢাকা ছাড়া করবে বলে হুমকি দেন পরে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে। মুশতাকের এ ধরনের আচরণের বিষয়ে আইডিয়াল অধ্যক্ষকে (২ নম্বর আসামি) ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন ভুক্তভোগী। তবে তিনি (অধ্যক্ষ) ব্যবস্থা করছি বলে আসামি মুশতাককে তার রুমে নিয়ে আসেন। রুমের দরজা বন্ধ করে দিয়ে সেসময় ভুক্তভোগীকেও ক্লাস থেকে নিয়ে এসে মুশতাককে সময় ও সঙ্গ দিতে বলেন।

এ বিষয়ে বাদী কলেজের অধ্যক্ষের কাছে প্রতিকার চাইতে গেলেও কোনো সহযোগিতা করেননি। বরং আসামি মুশতাককে অনৈতিক কাজে সাহায্য করে আসতে থাকেন। বাদী উপায় না পেয়ে গত ১২ জুন তার মেয়েকে ঠাকুরগাঁওয়ের বাড়িতে নিয়ে যান। পরে আসামি মুশতাক তার লোকজন দিয়ে তার মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে যান। এরপর বাদী জানতে পারেন মুশতাক ভুক্তভোগীকে একেক দিন একেক স্থানে রেখে অনৈতিক কাজে বাধ্য করেছেন এবং যৌন নিপীড়ন করেছেন।

 

পুনরুত্থান/সালেম/সাকিব/এসআর 

দৈনিক পুনরুত্থান / স্টাফ রিপোর্টার

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন