• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১

Advertise your products here

  1. সারাদেশ

বাকেরগঞ্জে সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চমক সৃষ্টি করলেন নৌকার প্রার্থী আব্দুল হাফিজ মল্লিক


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: বুধবার, ০৩ জানুয়ারী, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ০৯:১২ পিএম
বাকেরগঞ্জে_সংসদ_নির্বাচন_উপলক্ষে_চমক_সৃষ্টি_করলেন_নৌকার_প্রার্থী_আব্দুল_হাফিজ_মল্লিক
আব্দুল হাফিজ মল্লিক

আগাবাকের খানের সেই স্মৃতি বিজড়িত বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বারো আউলিয়ার এই পুণ্যভূমি।ইতিহাস বলে বারো আউলিয়াদের এই পুণ্যভূমি থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে জয় লাভ করতে পারবে, তার দলই সরকার গঠন করেন।

বাকেরগঞ্জ উপজেলায় নয়,বরিশাল জেলায় নয়,সমগ্র বাংলাদেশ তার নামটি বিশাল বিস্তৃত।তিনি হলেন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলির প্রবীণ সদস্য,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের আজীবন সদস্য,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল হাসপাতালের চেয়ারম্যান ও আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৪ এর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নৌকা

প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী মেজর জেনারেল (অবঃ)আলহাজ্ব আব্দুল হাফিজ মল্লিক পিএসসি।তিনি আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে তার নির্বাচনী এলাকা বাকেরগঞ্জ ব্যাপি চমক সৃষ্টি করেছেন।ইতোমধ্যে তার নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক হারে জাতি,ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে সকলের নিকট আলোচিত হয়েছেন নিজ সততা আদর্শতা ও কর্মগুণেই।গোটা বাকেরগঞ্জ উপজেলার মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। জনপ্রতিনিধি না হয়েও কিভাবে মানুষের পাশে থাকা যায়; তার উদাহরণও তিনি দেখিয়েছেন। সুন্দর ব্যবহার, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ এবং সব সময় মানুষের সুখে-দুখে পাশে দাঁড়ানোর কারণেই তাঁর পরিচিতি এখন গোটা বরিশাল ব্যাপি রয়েছে।

তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল হিসেবে প্রকৌশল বিভাগের প্রধান হিসেবে অতি সুনামের শহীত দায়িত্ব পালন করেছেন। আর এজন্য তিনি অসংখ্যবার বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।বাকেরগঞ্জের এই মহৎ ব্যক্তি তার চাকুরীকালীন অবস্থায় বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলা সহ বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার বেকার যুবকদের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকুরী দিয়েছেন নিঃস্বার্থভাবে।এমন কি তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রকৌশল বিভাগের প্রধান থাকা অবস্থায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিজেকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে সম্পৃক্ততা রেখেছেন নিঃস্বার্থভাবে।

তারই অংশ হিসেবে ১৯৯৬-২০০১ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এবং বর্তমান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তৎকালীন সময়ে গোপালগঞ্জ জেলার টুংগীপাড়া উপজেলার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাযার,বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ভবন করার দায়িত্ব দেন তাকে।তিনি ও তার সেই অর্পিত দায়িত্ব পালন করেন অতি সুনামের সাথে।

কিন্তু ক্ষমতার পালা বদলের কারণে ২০০১ সালে বিএনপি জামাত চায়ের দলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাকেরগঞ্জের এই কৃতি সন্তান মেজর জেনারেল (অবঃ) আলহাজ্ব আব্দুল হাফিজ মল্লিককে বঙ্গবন্ধু মাজার,কমপ্লেক্স সহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ করার কারণে তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।কিন্তু তৎকালীন বিএনপি জামাত জোট সরকার শুধু অবসরে পাঠিয়েই ক্ষ্যান্ত হননি বরং উক্ত কারণে দুর্নীতির অভিযোগ এনে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামী করে ২ নং আসামী করেন মেজর জেনারেল (অবঃ) আলহাজ্ব আব্দুল হাফিজ মল্লিককে।

আর এই জন্যই তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবার বর্গের নিকট একান্ত বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।তাই তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নীতি আদর্শের প্রতি অনুগত হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন।আর এজন্য তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে তিনবার দলীয় মনোনয়ন পেয়েও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের প্রতি আস্থাশীল হওয়ায় তৎকালীন জোটের স্বার্থে তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন।তিনি জোটের স্বার্থে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করিলেও বাকেরগঞ্জ বাসীর সাথে সম্পৃক্ততা ছিল নজর কাড়ার মত।তিনি দীর্ঘ ১৭টি বছর যাবৎ বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে মানুষের সুখ দুঃখের খবর নেওয়ার সহ বিভিন্ন প্রকারের সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ততা রেখেছেন নিঃস্বার্থভাবে। আর এই কারনে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৪ এ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বরিশাল-৬(বাকেরগঞ্জ) আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন দেন। তার দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী সহ দল মত নির্বিশেষে সকলের মধ্যে আনন্দের বন্যা বিরাজ করতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের এ প্রার্থী সাংবাদিকদের জানান,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকায় গোটা বাংলাদেশ ব্যাপি উন্নয়নের মহাসড়কে পরিণত হলেও আমাদের বাকেরগঞ্জে দলীয় সংসদ সদস্য না থাকায় আমরা সারা বাংলাদেশের উন্নয়নের দিকে ছিটকে আছি। গোটা বাকেরগঞ্জ বাসী আজ দীর্ঘ ১৫ বছর যাবৎ উন্নয়ন বঞ্চিত,অবহেলিত,নির্যাতিত, নিষ্পেষিত এবং দুর্নীতিগ্রস্ত।উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নে নেই কোন ভালো ব্রীজ,কালভার্ট,রাস্তা, বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার ভবন সহ নানান কিসিমের সমস্যা। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উন্নয়ন বঞ্চিত বাকেরগঞ্জের এই বেহাল অবস্থার উত্তরণের জন্য আমাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন দেন।এমনকি গত ২৯ ডিসেম্বরের বরিশালের বিভাগীয় নির্বাচনী জনসভায় সভা মঞ্চে বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অবঃ) আলহাজ্ব আব্দুল হাফিজ মল্লিককে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলেন,তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সাথে জড়িত ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল হাসপাতাল দেখাশোনা করেন এবং জাতীয় মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ও তিনি করবেন বলে জানা তাই তার পক্ষে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান করেন।

আওয়ামী লীগে প্রার্থী দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর পর থেকেই তিনি যেন থেমে নেই।তার দলীয় প্রচার-প্রচারণা ইতিমধ্যে দলমত নির্বিশেষে সকলের নিকট চোখে দেখার মত।তিনি প্রতিদিন মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ছুটে চলেন বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের গরিব দুঃখী ও মেহনতী মানুষের দ্বারে দ্বারে এবং বাকেরগঞ্জের আশাহত মানুষের সুখ দুঃখের কথা শুনেন মনোযোগ সহকারে।বহু গরীব মেয়ের বিয়েতে এবং দরিদ্র শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদান দিয়ে আসছেন তিনি। কিছু পাওয়ার জন্য নয়; বরং মানুষকে সহযোগিতা করার পরিকল্পনা নিয়ে তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন। সমাজের অবহেলিত মানুষগুলো তাঁর কাছেই ছুটে আসেন। তিনিও কারও বিপদে বসে থাকেন না।মানুষের সেবা করতে পারলেই তাঁর মনে বড় আনন্দ। আবার কারও সমস্যা হলে তিনি নিজের সমস্যা মনে করে সমাধান করার চেষ্টা করেন। এক কথায় ‘মানুষ মানুষের জন্য’ এটা তিনি এলাকায় নিজকে দিয়েই প্রমাণ করেছেন। অবহেলিত বাকেরগঞ্জকে আলোকিত করার জন্য তাঁর অনেক দিন ধরে চেষ্টা চলছে।

সবকিছু মিলিয়ে তিনি মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে চান গরিব-দুঃখী ও মেহনতী মানুষের সেবার মাধ্যমে।তাই বিভিন্ন রাস্তাঘাট,অলিতে গলিতে,চায়ের দোকানে তার নাম শোনা যাচ্ছে তিনি সব প্রার্থীর চেয়ে সৎ,যোগ্য,আদর্শবান,নিষ্ঠাবান, পরোপকারী,উচ্চ শিক্ষিত এবং বহু গুণে গুণন্বিত ব্যক্তি। তাই আগামী ৭ই জানুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দল-মত নির্বিশেষে সকলেই তাকে ভোট দিবেন।কারণ অনেকেরই প্রত্যাশা যোগ্যতা সম্পন্ন এই ব্যক্তি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হতে পারলে তিনি মন্ত্রী পাবেন।এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের এই প্রার্থীর নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান,তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হতে পারলে এই অবহেলিত,বিপর্যস্ত এবং উন্নয়ন বঞ্চিত বাকেরগঞ্জকে একটি স্মার্ট বাকেরগঞ্জ গড়ে তোলায় তার মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি তিনি আরো জানান,তিনি সমাজের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাতা করবেন,অবরুদ্ধ বাকেরগঞ্জ বাসীকে জিম্মি দশা থেকে উদ্ধার করবেন,সমাজ থেকে সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ, মাস্তান,জবরদখল, সংখ্যালঘু নির্যাতন ও মাদক মুক্ত বাকেরগঞ্জ গড়েতোলা এবং বেকার সমস্যা নিরসনের জন্য বাকেরগঞ্জকে একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া সহ বিভিন্ন প্রকারের জনসেবা ও উন্নয়নমূলক কাজ করবে বলে জানান।তিনি আরো জানান,আমি স্কুল জীবন থেকেই নি:স্বার্থভাবে মানবকল্যাণে কাজ করছি।

মানুষের অভাব দেখে আমি কখনো সহ্য করতে পারিনা। আমি সুখে থাকবো; আর আমার এলাকার মানুষ না খেয়ে না পরে থাকবেন তা হতে পারেনা। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাকে যে সম্পদ দিয়েছেন তাতে জনগণের অধিকার আছে। সেই সম্পদ থেকেই মানুষের জন্য আজীবন ব্যয় করে যাব।আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে দলমত নির্বিশেষে সকলের সেবা করতে চাই।তাই আগামী ৭ ই জানুয়ারী অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাকে নৌকা মার্কায় বিপুল ভোটে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে যাহাতে আমৃত্যু পর্যন্ত জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সেবা করে যেতে পারি তহার জন্য সুযোগ দিন।

দৈনিক পুনরুত্থান / স্টাফ রিপোর্টার

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন