• ঢাকা
  • রবিবার, ০১ ফেরুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২

Advertise your products here

  1. জাতীয়

ভোটের প্রচারণা তুঙ্গে


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: রবিবার, ০১ ফেরুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৮:২৪ এএম
ভোটের প্রচারণা তুঙ্গে

 

  • জনসমর্থনের পাল্লা ভারী করার সময় আর ৯ দিন
  • প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বাক্যবাণ ক্রমেই শাণিত হচ্ছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বাকি আর মাত্র ১১ দিন। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে যাবে। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রচারের সময় শেষ হবে তার দুই দিন আগেই। ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টার আগেই প্রচার শেষ করতে হবে। 

সে হিসাবে প্রচারের সময় মাত্র আর ৯ দিন। সে কারণে বিরামহীন প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। একই সঙ্গে তাঁদের সামাল দিতে হচ্ছে নিজ ও প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘাত-সহিংসতা।

দলের নেতারাও সর্বশক্তি দিয়ে নানা কৌশলে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান গতকাল শনিবার উত্তরবঙ্গ সফর  শেষে ঢাকা ফিরেছেন। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানও গত শুক্রবার ফেনীতে জনসভার মাধ্যমে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাদের নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগে নির্বাচনী সফর শুরু করেছেন। গতকাল কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জনসভা করেন তিনি। এর আগে প্রচার শুরুর প্রথম দিন নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৫ আসনে সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি।

পরে ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গের আটটি জেলার জনসমাবেশে বক্তব্য দেন। ২৫ জানুয়ারি ঢাকার ৫, ৬ ও ৭ আসনে জনসমাবেশে যোগ দেন। জামায়াতে ইসলামীর জনসমাবেশগুলোতে ব্যাপক জনসমাগম দলটির কর্মী-সমর্থকদের উজ্জীবিত করে।

অন্যদিকে গতকাল বগুড়া জেলা বিএনপি নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সিরাজগঞ্জের জনসভার উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান। এ সময় বগুড়া শহরের মেডিক্যাল মোড় থেকে শুরু করে শেরপুরের চান্দাইকোনা পর্যন্ত বিএনপি চেয়ারম্যানকে একনজর দেখার জন্য হাজার হাজার মানুষ ভিড় করে।

ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক পরিণত হয় জনসমুদ্রে। পরে সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে দুটি বড় নির্বাচনী জনসভা এবং কয়েকটি পথসভায় অংশ নেন তিনি।

 

এর আগে নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিন গত ২২ জানুয়ারি ১৬ ঘণ্টায় সাতটি সমাবেশ শেষ করে ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে গুলশানের বাসায় ফেরেন তারেক রহমান। এর আগে রাত সাড়ে ৪টার দিকে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার রূপগঞ্জের গাউছিয়ায় নির্বাচনী সমাবেশ করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগামীকাল সোমবার  খুলনা এবং বুধবার বরিশাল বিভাগে নির্বাচনী সফরে যেতে পারেন তারেক রহমান।

গতকাল বিকেলে সিরাজগঞ্জের বিসিক শিল্প পার্ক জনসভায় তারেক রহমান বলেন, “যারা এসে বিভ্রান্তিমূলক কথা ছড়াবে, তাদের একটিই নাম ‘গুপ্ত’। কারণ তাদের গত ১৬ বছর আমরা দেখিনি। তারা মিশে ছিল ৫ তারিখে যারা পালিয়ে গেছে তাদের সঙ্গে, তলেতলে। স্বাধীনতার সময়... ’৮৬ সাল থেকে, ’৯৬ সাল থেকে এরা সব সময়  দেখবেন এক সঙ্গে ছিল। এপিঠ আর ওপিঠ।”

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আখচা ইউনিয়নের বলদাপুকুর গ্রামে নির্বাচনী সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনাদের জন্য যদি শহীদ হতে হয়, তবে সেই প্রথম শহীদ হব আমি ও আমার দলের কর্মীরা। নির্ভয়ে ভোট দিতে যান, নির্ভয়ে বেরিয়ে আসুন, নির্ভয়ে বাঁচুন।’

অন্যদিকে গতকাল  কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বিএনপির উদ্দেশে বলেন, জাতিকে আর কষ্ট দিয়েন না। আপনারাও একসময় মজলুম ছিলেন, তাহলে এখন কেন জালিম হলেন। গতকাল দুপুরে চাঁদপুর হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ক্ষমতায় গেলে একটি দল জাতির কাপড় খুলে নেবে। ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই ওই দল মানুষ খুন করে, চাঁদাবাজি করে, হিন্দুদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেয়। তাদের কাছে এ দেশের জানমাল নিরাপদ নয়।

এ ধরনের বাকযুদ্ধ ছাড়া বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষও চলছে। গতকাল কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের হাটবাইর গ্রামে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হামলা-পাল্টাহামলায় উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি আবু মাহমুদ মোহাম্মদ কাউছার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  তিনি বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় (ভোলা-২ আসন) নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর মিলেছে। গতকাল  সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার টবগী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মনিরুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ও যৌথ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রার্থীদের জনপ্রিয়তার বিষয়টিও ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ভোটাররা এরই মধ্যে ধারণা পেতে শুরু করেছেন, কারা থাকছেন মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। কোন আসনে কার সঙ্গে কার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে যাচ্ছে।

বরিশাল থেকে কালের কণ্ঠের নিজস্ব প্রতিবেদক রফিকুল ইসলাম জানান,  বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের প্রাথমিক চিত্র বলছে, বিএনপি তুলনামূলকভাবে এগিয়ে। কিন্তু সব আসনেই পরিস্থিতি এক রকম নয়। অন্তত ৯টি আসনে ফল শেষ মুহূর্তের সমীকরণের ওপর নির্ভর করছে, যা ভোটারদের জন্য তৈরি করছে এক অদেখা নাটকের পর্দা। বরিশাল জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে তিনটিতে বিএনপি সুবিধাজনক অবস্থানে, বাকি তিনটিতে সরাসরি বা ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে। ভোলার চারটি আসনে বিএনপি ও জোট প্রার্থীরা এগিয়ে থাকলেও দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ফল বদলে দিতে পারে। পটুয়াখালীর চারটি আসনের একটিতে বিএনপি সুবিধাজনক অবস্থায়, অন্য তিনটিতে বিএনপির বহিষ্কৃত প্রার্থী, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে কঠিন লড়াই হতে পারে। বরগুনার দুটি আসনে বিএনপি এগিয়ে থাকলেও একটিতে জামায়াত এবং অন্যটিতে ইসলামী আন্দোলন শক্ত অবস্থানে। ঝালকাঠির দুটি আসনে বিএনপি ভালো অবস্থানে, তবে একটি আসনে জামায়াতের সঙ্গে তীব্র লড়াই হতে পারে। পিরোজপুরের তিনটি আসনের একটিতে বিএনপির সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা, বাকি দুটিতে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

ময়মনসিংহ থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক নিয়ামুল কবীর সজল জানান, এই বিভাগের মোট ২৪টি আসনেই নির্বাচন জমে উঠেছে। তবে একই সঙ্গে ভোট নিয়ে উদ্বেগ উৎকণ্ঠাও সৃষ্টি হচ্ছে। কে পাস করলে এলাকার কী হবে, রাজনীতির কী হবে—এ নিয়ে ভোটাররা করছেন হিসাব-নিকাশ। এখন পর্যন্ত ভোটের মাঠে অনেক স্থানেই ত্রিমুখী লড়াই হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মূলত বিএনপি, জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যেই একাধিক আসনে লড়াই হতে পারে। বিএনপি এমনিতেই বিভাগে শক্তিশালী দল। কিন্তু জামায়াতের অবস্থানও দিন দিন ভালো হচ্ছে। জামায়াতের অনেক প্রার্থী জোরালোভাবে মাঠে নামায় একাধিক আসনে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে মূল লড়াই হবে। কোথাও কোথাও জামায়াতের বিজয়ের প্রসঙ্গও আলোচনায় আছে। 

ময়মনসিংহ জেলায় মোট ১১টি আসন। এর মধ্যে আটটিতে বিএনপি প্রার্থীদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ স্বতন্ত্ররা। জয়ী হতে এসব আসনে বিএনপি আপ্রাণ চেষ্টা করছে। কিন্তু মরিয়া হয়ে মাঠে আছেন স্বতন্ত্ররাও। তিন-চারটি আসনে জামায়াতও জোরালোভাবে আলোচনায়। অন্য দল ও জোটগুলোও প্রচারণায় আছে।

কালের কণ্ঠের রাজশাহী ব্যুরো থেকে রফিকুল ইসলাম জানান, এই বিভাগের ২৩টি আসনে মূল লড়াই হবে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে। বিভাগের আট জেলায় ৩৯টি আসনের মধ্যে অন্তত ২৩টি আসনে লড়াই হবে এই দুই দলের মধ্যে। বাকি আসনগুলোতে বিএনপি প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন বলে ধারণা করছেন সাধারণ ভোটাররা। এসব আসনের মধ্যে কয়েকটিতে নিরুঙ্কুশ জয়ও পেতে পারেন বিএনপির প্রার্থীরা। তিনটি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের সঙ্গে দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিএনপির রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত বলেন, ‘উত্তরাঞ্চল হলো বিএনপির ঘাঁটি। এখানে বিএনপির প্রার্থীরাই এগিয়ে আছেন। আমাদের বড় ধরনের বিজয় হবে এখানে। তারপরও এখানে কিছু এলাকা জামায়াত অধ্যুষিত। আবার আমাদের দলের কয়েকজন বিদ্রোহী প্রার্থী আছেন। তাই চ্যালেঞ্জ তো থাকছেই।’

জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী জোনের পরিচালক মো. শাহাবুদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কিছু জায়গায় হয়তো আমরা আগে থেকে পৌঁছাতে পারিনি, সেসব স্থানে আমাদের সাংগঠনিক অবস্থান কিছুটা দুর্বল। কিন্তু এখন আমরা সবাইকে দাওয়াত দিচ্ছি। রাজশাহী জোনে বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। দু-একটা আসন বাদে সবটাতেই ভালো পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে।’

ফেনী প্রতিনিধি জানান,  এই জেলার  তিনটি সংসদীয় আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ে বিএনপির মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে জামায়াত। একসময় তিনটি আসন বিএনপির থাকলেও ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে দীর্ঘ সময় এ আসনগুলো ছিল আওয়ামী লীগের দখলে। এই  তিনটি আসনে বিএনপির সমর্থক বেশি থাকলেও ৫ আগস্টের পর দলীয় নেতাকর্মীদের নানা কর্মকাণ্ডে মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে বলে অনেকে জানান। ভোটারের সচেতনতা অতীতের চেয়ে অনেক বেশি। পাশাপাশি তরুণ ভোটারদের নিয়ে প্রার্থীরা চিন্তায় রয়েছেন। ফেনীতে প্রবাসী ভোটারদের ভোট নির্বাচনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে বলে অনেকে ধারণা করছেন। নির্বাচনী মাঠে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী ও কর্মীরা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে নানাভাবে ভোট চাচ্ছেন। নানা রকম আশ্বাস দিয়ে ভোটারদের মন আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন। ফলে ভোটের মাঠ প্রচার-প্রচারণায় মুখরিত হয়ে আছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি জানান,  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুজন প্রার্থী বেশি আলোচনায়। একজন দলছুট। আরেকজন  বিএনপি জোটের মনোনয়ন  পেয়েছেন।  তাঁদের জয়-পরাজয় ভোটের রাজনীতিতে নানাভাবে প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। এ ছাড়া একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী রয়েছেন জেলায়।

আলোচিত দুই প্রার্থী হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২  আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নবঞ্চিত ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, যিনি পরে দল থেকে বহিষ্কার হন। আরেকজন হলেন হেভিওয়েট প্রার্থীকে ডিঙিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের মনোনয়ন পাওয়া গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।

রুমিন ফারহানা তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় দলের প্রতীকের চেয়ে ব্যক্তির যোগ্যতা দেখার জন্য ভোটারদের প্রতি অনুরোধ করছেন। অন্যদিকে বিএনপি তথা তারেক রহমানের প্রশংসা করে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন জোনায়েদ সাকি।

রুমিন ফারহানার প্রতিটি জনসভা, পথসভায় ব্যাপক লোকজনের উপস্থিতি আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাঁর প্রতিপক্ষ বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহসভাপতি জুনায়েদ আল হাবিব তাঁর প্রচারণায় বিএনপির নেতা পর্যায়ের লোকজনকে পেলেও কর্মীরা এখনো দূরে। জোনায়েদ সাকি বিএনপি নেতাদের সঙ্গে নিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান ডেস্ক

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন