বোয়ালমারী মহিলা কলেজে ভারপ্রাপ্ত ও সাময়িক বরখাস্ত অধ্যক্ষের পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন
ফরিদপুরের বোয়ালমারী কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের দুই অধ্যক্ষের মধ্যে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই ২০২৬) দুপুরে কলেজের পরীক্ষা শেষে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. হোসনে আরা বেগম শিক্ষক-কর্মচারী ও কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থীদের নিয়ে মানববন্ধন করেন। অপর দিকে কলেজের সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ ফরিদ আহমেদ বৃহস্পতিবার রাতে ওয়াবদার মোড় ব্রাক অফিসের তিনতলায় সংবাদ সম্মেলন করেন।
মানববন্ধনে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. হোসনে আরা বেগমসহ শিক্ষক ও কর্মচারীরা অভিযোগ করে বলেন, কলেজের বহিষ্কৃত অধ্যক্ষ ফরিদ আহমেদ কলেজ থেকে বহিষ্কার হওয়ার পরও কলেজের কোয়ার্টারে অবৈধভাবে বসবাস করেন। তিনি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন একটি ডাকাতি মামলা আদালতে দায়ের করেছেন শিক্ষক ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া তিনি দুইটি মামলা জজ কোর্ট ও হাইকোর্টে করেছিলেন। সে দুটি মামলা আমাদের পক্ষে রায় হয়েছে। ফরিদ আহমেদ এখনো জোর করে কলেজের কোয়ার্টারে থাকতে চায়।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ ফরিদ আহমেদ বলেন, তাকে অন্যায় ভাবে কলেজ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার পরিবর্তে কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগমকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তখন কলেজের এডহক কমিটির আহবায়ক ছিলেন কলেজ প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সিরাজুল ইসলাম। তিনি আরো বলেন, তাকে ২০২৪ সালের ২৮ নভেম্বর সাময়িক বহিষ্কার করার পর তিনি জর্জকোটে ও হাইকোটে মামলা করেন।
তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ১৬ জুন তার থাকার বাসায় কলেজের কর্মচারী ও শিক্ষকরা হামলা করে তালা ভেঙে নতুন তালা লাগিয়ে দেয়। তখন ওই কোয়াটারে আমার স্ত্রী ছেলে সন্তান ছিলেন। পুলিশের সহযোগিতায় তালা ভেঙ্গে আমার স্ত্রী এবং ছেলেকে উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় তিনি আদালতে একটি ডাকাতি মামলা করেছেন। কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে ১০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত আরো ১০/১২ জনের নামে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. হোসনে আরা বেগমের মুঠোফোনে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করে বলেন, আমি প্রচন্ড ব্যস্ত আছি এখন কথা বলার সময় নেই। পরে কথা বলবো।
দৈনিক পুনরুত্থান /
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন
আপনার মতামত লিখুন: