• ঢাকা
  • শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২

Advertise your products here

  1. জাতীয়

উপদেষ্টারা চেয়েছিলেন তাদের দুর্নীতি যেন প্রকাশ না হয় : মিলন


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০১:৩৬ পিএম
উপদেষ্টারা চেয়েছিলেন তাদের দুর্নীতি যেন প্রকাশ না হয় : মিলন

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ‘আমাদের বলা হয়েছে, শুধু আমলাতন্ত্রের একাংশ সংস্কার চায় না। কিন্তু উপদেষ্টা পরিষদের অন্তত সাতজন সদস্য তাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এ বিষয়টি আমাদের অত্যন্ত আশাহত করেছে। সংস্কার কমিশনের জমা দেওয়া দু-একটি সুপারিশ বাস্তবায়ন হলেও এর ফলে কোনো অগ্রগতি হয়নি।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘দুদকের অভ্যন্তরে অত্যন্ত জোরালোভাবে দুর্নীতি বিরাজ করছে। এমন কর্মকর্তাও আছেন যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান তদন্ত করার কথা, তারা নিয়মিত পে রুলে আছেন-এ রকম কথাও বলা হয়। আমাদের সুপারিশটি এ ক্ষেত্রে খুব সহজ ছিল। যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আছে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হবে এবং আদালতে সোপর্দ করতে হবে।

এসবের কিছুই এখন পর্যন্ত হয়নি। শুধু একটা অধ্যাদেশ হয়েছে; যার মাধ্যমে শুধু দুদক আইন-২০০৪-এর সংস্কার হয়েছে।’ 

এরই প্রেক্ষিতে সাবেক রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন বলেছেন, উপদেষ্টারা চেয়েছিলেন যেন তাদের দুর্নীতি প্রকাশ না হয় ও শাস্তি না হয়। ড. ইফতেখারুজ্জামান এর বক্তব্যের সংবাদটি কালের কণ্ঠে প্রকাশিত হলে মাহবুব কবীর মিলন সংবাদের কার্ডটি নিজের ফেসবুকে শেয়ার করে এ কথা বলেন।

মিলন বলেন, ‘এখান থেকে তিনটা জিনিস স্পষ্ট। তার শেষেরটা আগে বলে নেই। এই দেশ থেকে দুর্নীতি কেয়ামত পর্যন্ত দূর হবে না। এবার বাকি দুটো। তার মানে এই উপদেষ্টারা মনে করেছিলেন, তারা বা বর্তমান সরকার বছরের পর বছর থেকে যাবেন, যাতে  তাদের দুর্নীতি প্রকাশ ও শাস্তি না হয়। যাতে দুদক অথর্ব ও ধ্বজভঙ্গ হয়ে থাকে।

২। নির্বাচনের পর যে সরকার আসবে অথবা সেই রাজনৈতিক দলগুলো উপদেষ্টা ও আমলাদের মাধ্যমে চাপ দিয়েছিলেন, যাতে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও শক্তিশালী দুদক গঠিত না হয়। যাতে ভবিষ্যৎ দুর্নীতির পথ ফকফকা ও পরিস্কার থাকে।  এবার বুঝেছেন তো কেন আমি বলি কেয়ামত পর্যন্ত এই দেশ ঠিক হবে না।’

দৈনিক পুনরুত্থান /

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন