কয়রায় ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা নারী হলেন মৎস্য ঘের লুটের আসামী
খুলনার কয়রায় ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ঘের লুটের আসামী করায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলা আমাদী ইউনিয়নের নাকসা গ্রামে।
জানা গেছে, জমি-জায়গাকে কেন্দ্রকরে দির্ঘদিন উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের নাকসা গ্রামের শফিকুল ইসলামের সাথে একই গ্রামের মইন উদ্দিন গংদের বিরোধ চলে আসছে। এরই জের ধরে শফিকুল ইসলামের মৎস্য ঘেরের ভিতরে থাকা ৯ শতক জমি সম্প্রতি মইন উদ্দিন গংরা তাদের অনুকুলে বুঝে নেয়। ওই ঘটনায় শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মইন উদ্দিকে প্রধান আসামী করে সাত জনের নামে কয়রা থানায় একটি ঘের লুটের একটি মামলা দায়ের করে। মামলা ছাড়াও উক্ত ঘটনায় শফিকুল ইসলাম কয়রা থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করে। যা মামলায় রুপান্তিরিত হয়েছে একই ঘটনায় দুইটি মামলা। এ মামলায় ৫ নং আসামী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ফরিদা খাতুনকে আসামী করায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে।
নাকশা গ্রামের স্থানীয় পল্লী চিকিৎক হারুন অর রশিদ বলেন, ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ঘের লুটের আসামী করা হয়েছে এর চেয়ে মিথ্যা ঘটনা আর কি হতে পারে।
আমাদী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য হাবিবুল্লাহ বলেন, ঘের লুটের কোন ঘটনা ঘটেনি। বরং পার্শ্ববর্তি আমার ঘেরের ছাড়া মাছ এ বছর বৃষ্টিতে ভেসে গেছে৷ এমনকি সেই মাছ অনেকেই মেরে নিয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মোঃ শাহ আলম বলেন, মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে । তদন্ত শেষ হলে সব কিছু জানা যাবে।
দৈনিক পুনরুত্থান /
- বিষয়:
- কয়রা
- অন্তঃসত্ত্বা
- আসামী
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন
আপনার মতামত লিখুন: