• ঢাকা
  • সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. জাতীয়

প্রতিবেশীর ঘরের দরজা কেটে নিয়ে গেলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা, থানায় অভিযোগ


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: সোমবার, ০৪ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২:০২ পিএম;
প্রতিবেশীর ঘরের দরজা কেটে নিয়ে গেলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা, থানায় অভিযোগ

পটুয়াখালী শহরে একটি বসতঘরের স্টিলের দরজা কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিনের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। এ ঘটনায় পটুয়াখালী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (২ মে) ফারুক হাওলাদার বাসায় না থাকার সুযোগে প্রতিপক্ষের লোকজন ঝালাই কাটার মিস্ত্রি এনে তার ঘরের স্টিলের দরজা কেটে নিয়ে যায়। এ সময় ঘরে থাকা পরিবারের সদস্যদের বেঁধে রাখা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘরে থাকা জমি বিক্রির প্রায় পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেন ভুক্তভোগীরা।

এদিকে, ঘটনাটির একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ফুটেজে দেখা যায়, পটুয়াখালী স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম লিটন কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে তাকে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে মিস্ত্রিকে নির্দেশনা দিতে দেখা যায়। একপর্যায়ে তিনি ঘরের ভেতরে প্রবেশ করেন এবং কিছু সময় পর বের হয়ে যান। পরে তার সঙ্গে থাকা লোকজনকে দরজা কেটে খুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়।

ভুক্তভোগী ফারুক হাওলাদার শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পিটিআই এলাকার বাসিন্দা। তিনি বলেন, আমি বাসায় না থাকার সুযোগে তারা দরজা কেটে নিয়ে গেছে। ঘরের ভেতরে আমার মেয়েদের বেঁধে রাখা হয়েছিল। এ সময় ঘরে থাকা প্রায় পাঁচ লাখ টাকাও নিয়ে গেছে তারা। আমি এর বিচার চাই।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জহিরুল ইসলাম লিটন। তিনি বলেন, আমার চাচার সঙ্গে জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধ রয়েছে। আমি বিষয়টি দেখতে গিয়েছিলাম। দরজা কেটে নেওয়ার ঘটনায় সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন মোহন বলেন, বিষয়টি আমি পুরোপুরি জানি না। প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক বিরোধ বলে জানি।

তিনি আরও বলেন, এভাবে দরজা খুলে নেওয়া উচিত হয়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেউ দোষী হলে সাংগঠনিকভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সিসিটিভি ফুটেজসহ বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দৈনিক পুনরুত্থান /

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন