যে কারণে বাতিল হয়েছিল স্পেনের দুটি গোল
মেটলাইফ স্টেডিয়ামের ফাইনালের অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের এক গোল নিয়ে বড় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। স্প্যানিশ তারকা নিকো উইলিয়ামসের একটি বাতিল করা হয়। এরপর অফসাইডে বাতিল হয় আরেকটি গোল। যদিও ১-০ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দেয় স্পেন।
প্রথম গোলের ঘটনার শুরু স্পেনের আক্রমণ থেকে। বলটি আর্জেন্টিনার বক্সে পৌঁছালে মিকেল মেরিনোর চাপের মুখে নিকোলাস ওতামেন্দি মাটিতে পড়ে যান। এরপর স্প্যানিশ বদলি খেলোয়াড় মেরিনো গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজের সঙ্গে বলের লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েন। বলটি গিয়ে পড়ে নিকো উইলিয়ামসের সামনে, আর তিনি সহজেই জালে পাঠান।
তবে গোলটি সঙ্গে সঙ্গেই বাতিল করে দেন ম্যাচের রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। তার সিদ্ধান্ত ছিল, গোলের আগে মিকেল মেরিনো আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার ওতামেন্দির ওপর ফাউল করেছিলেন।
টেলিভিশন রিপ্লেতে দেখা যায়, মেরিনো ওতামেন্দিকে সামান্য স্পর্শ করেছিলেন। তবে রেফারি মনে করেন, বলের জন্য লড়াইয়ের সময় মেরিনোর পা ওতামেন্দির পায়ে লেগেছিল, যা ফাউল হিসেবে গণ্য হয়।
অন্যদিকে স্পেনের খেলোয়াড়দের দাবি, সংস্পর্শটি খুবই সামান্য ছিল এবং ওতামেন্দি সেটিকে বাড়িয়ে দেখিয়েছেন। তাদের মতে, এমন পরিস্থিতিতে খেলা থামিয়ে গোল বাতিল করার মতো কোনো কারণ ছিল না।
রেফারির এই সিদ্ধান্তে স্প্যানিশ ফুটবলাররা তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাদের বিশ্বাস, গোলটি বহাল থাকলে ম্যাচের ভাগ্য অনেক আগেই নির্ধারিত হয়ে যেতে পারত। অবশ্য এরপরে ফেররান তরেসের একটি গোল বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে একা পেয়ে বল জালে জড়িয়ে দিয়েছিলেন তরেস। তবে এই দুটি গোলই বাতিল করে রেফারি।
দৈনিক পুনরুত্থান /
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন
আপনার মতামত লিখুন: