• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেরুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২

Advertise your products here

  1. অপরাধ

আলফাডাঙ্গায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে অপহরণ, ভিক্টিম থানায় হাজির। 


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেরুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৪:০৭ পিএম;
আলফাডাঙ্গায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে অপহরণ, ভিক্টিম থানায় হাজির। 

ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার গোপালপুর ইউনিয়নের চর চান্দড়া গ্রামের মিহির সর্দার (২৬) নামে এক কলেজছাত্রকে অপ/হ/রণের অ/ভি/যো/গ উঠেছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮ টার দিকে স্থানীয় চান্দড়া তালিমুল কুরআন মাদ্রাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে।

মিহির চান্দড়া গামের মৃ--ত নূর মোহাম্মদের ছেলে। সে ঢাকা মিরপুর বাংলা কলেজ অর্নাস প্রথম বর্ষের শিক্ষর্থী বলে জানা যায়। এ ঘটনায় ওই দিন রাতে মিহিরের চাচাতো ভাই আলম সর্দার বাদী হয়ে আলফাডাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। পুলিশ তাকে উদ্ধার করতে সারারাত কাজ করেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯ টায় মিহির নিজে মোটরসাইকেল চালিয়ে আলফাডাঙ্গা থানায় ফেরেন। অপ/হ/রণ করার পর মিহিরের চোঁ-খ বাঁধা ছিল বলে তিনি কিছুই বলতে পারেননি। তবে পুলিশ জানিয়েছেন, পুলিশের তৎপরতা জানতে পেরে বুধবার ভোরে ফরিদপুর শহরের আশপাশে তাকে মোটরসাইকেলসহ ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় বুধবার দুপুরে আলফাডাঙ্গা থানা কার্যালয়ে প্রেস বিফিং করেন ফরিদপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ফাতেমা ইসলাম। তিনি জানান, স্থানীয় গোপালপুর বাজার থেকে মিহির সর্দার নামের এক যুবক মোটরসাইকেল চালিয়ে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে চান্দড়া তালিমুল কুরআন মাদ্রাসার সামনে পৌঁছালে ৭-৮ জনের একটি দল কালো রংয়ের মাইক্রো গাড়িতে উঠানোর চেষ্টা করলে মিহির চিৎ-কার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে অপ*হ*রণকারীরা ডিবি পুলিশ পরিচয় দেয়। তাকে গাড়িতে তুলে নেয়, এসময় তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি অপহরণকারীরা নিয়ে নেয়। ঘটনার দিন রাতেই মিহিরের চাচাতো ভাই আলম সর্দার বাদী হয়ে আলফাডাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। মিহিরকে উ*দ্ধা*র করতে পুলিশ বিভিন্ন তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে খুঁজতে থাকে।

বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টায় মিহির নিজে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকলে চালিয়ে আলফাডাঙ্গা থানায় আসেন। তাকে অপহরণ করার পর গাড়িতে তুলে চোঁ/খ বেঁধে ফেলে। ফরিদপুর শহরের আশপাশে কোনো এক স্থানে বুধবার ভোরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সত্য ঘটনা উৎঘাটন করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাতেমা ইসলাম।

ফরিদপুরের জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, তার কোনো সদস্য এ ঘটনার সাথে জড়িত নন। 

দৈনিক পুনরুত্থান / মিজান উর রহমান 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন