• ঢাকা
  • সোমবার, ১৬ ফেরুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২

Advertise your products here

  1. অপরাধ

ফেসবুকে চুমুর ভিডিও ভাইরাল, ছাত্রকে শোকজ


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেরুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৭:০২ এএম;
ফেসবুকে চুমুর ভিডিও ভাইরাল, ছাত্রকে শোকজ

প্রেম মানে না কোনো বাধা, মানে না কোনো বেড়াজাল। কিশোর বয়সের প্রেম আরো অবাধ্য। কিন্তু, তাই বলে নিজ বিদ্যালয়ের ফাঁকা মাঠে প্রকাশ্যে দিনে-দুপুরে প্রেমিকাকে ফিল্মি কায়দায় জড়িয়ে ধরে চুম্বন! এমনই একটি কাণ্ড ঘটেছে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার শহীদ আলাউদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে।

সম্প্রতি ওই ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে স্যোশাল মিডিয়ায়। 

যা প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তারপরই শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সনোফি সাদাফ নামে অভিযুক্ত এক ছাত্রের বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ পাঠিয়েছেন বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. জালাল উদ্দীন। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দুই শিক্ষার্থী ওই বিদ্যালয়ের একই শ্রেণিতে অধ্যায়নরত। এজন্য তারা একে অপরের সহপাঠী।   ০ম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছে। স্কুল থেকেই তাদের পরিচয় এবং স্কুলেই প্রেম। ওই স্কুলেই মাত্রা ছাড়ায় তারা। 

স্যোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের ফাঁকা মাঠের একপাশে কালো রঙের শার্ট ও প্যান্ট পরিহিত প্রেমিক দাঁড়িয়ে আছে। অপর পাশ থেকে আকাশি রঙের জামা এবং সাদা রঙের ওড়না ও পায়জামা পরিহিত প্রেমিকা যাচ্ছে ওই প্রেমিকের কাছে। সেখানে যাওয়ার পর প্রেমিক তাকে জড়িয়ে ধরে ফিল্মি কায়দায় গালে চুম্বন দিচ্ছেন। এসময় অপর পাশ থেকে চুমু খাওয়ার ওই দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও করছেন তাদেরই নারী সহপাঠীরা। এভাবে দুই দফা ওই চুমু খাওয়ার দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়। এসময় সহপাঠীরা তাদের উদ্দেশ্য করে বলতে শোনা যায় আরেকটু-আরেকটু। 

ভিডিওটি তোমাদের স্মৃতি হয়ে থাকবে। পরবর্তীতে এ ভিডিওটি টিকটকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। নড়েচড়ে বসে বিদ্যালয়টির কর্তৃপক্ষ। 

 এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. জালাল উদ্দীন জানান, দুই শিক্ষার্থীর চুমু খাওয়ার ভিডিওটি সামনে আসার পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করে অভিযুক্ত ওই ছাত্রের বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ১৬ ফেব্রুয়ারি সকালে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে হাজির হয়ে এর সঠিক জবাব দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। সঠিক জবাব দিতে না পারলে বিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

 

দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান ডেস্ক

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন