• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. জাতীয়

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সম্পদ নিয়ে বিভ্রান্তির জবাব


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৪:৪৮ পিএম;
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সম্পদ নিয়ে বিভ্রান্তির জবাব

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের হলফনামায় উল্লিখিত এক হাজার ৮২৪ শতাংশ জমি, ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ৪২ কোটি টাকার পারিবারিক রাইস মিল বিক্রি সম্পর্কিত তথ্যের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে তার দপ্তর।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম ফয়সালের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার সম্পদ নিয়ে বিভ্রান্তির জবাব দেওয়া হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর স্বার্থের সংঘাত (কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট) এড়াতে তিনি পারিবারিক ব্যবসার মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা থেকে লিখিতভাবে সরে দাঁড়িয়েছেন। পরে প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার, পরিচালনা এবং সার্বিক মালিকানাসহ যাবতীয় দায়িত্ব পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে পারিবারিক ব্যবসা পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা পরিচালনা করছেন।

হলফনামায় উল্লেখিত ১২টি প্রতিষ্ঠান হল, রোমা অটো রাইস মিল, রূপসী রাইস অ্যান্ড পুষ্টি মিলস লিমিটেড, রূপসী ফ্লাওয়ার মিল, মীর সীমান্ত-দিগন্ত ফিলিং স্টেশন, মীর লাবনী-সুনাত ফিলিং স্টেশন, মীর দিগন্ত ট্রেডিং এজেন্সি, উত্তর বাংলা ওভারসিজ লিমিটেড, রূপসী কৃষি খামার, রূপসী মৎস্য খামার, রূপসী কংক্রিট ব্রিকস ফ্যাক্টরি, রূপসী মিনি কোল্ড স্টোরেজ এবং রূপসী প্রাণী খামার।

সেখানে বলা হয়, ব্যবসার পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে জাতীয় নির্বাচনের আগে ২ ফেব্রুয়ারি পরিবারের মালিকানাধীন রোমা অটো রাইস মিল ৪২ কোটি টাকায় বিক্রি করা হয়। নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে বিক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। মিলটির ক্রেতা বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা এলাকার গণেশপুর গ্রামের রাইস মিল ব্যবসায়ী রবিউল আলম। তার ভাষ্যমতে তিনি ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ৪২ কোটি টাকায় মিলটি ক্রয় করেছেন এবং মালামালসহ প্রতিষ্ঠানের সব দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে প্রতিমন্ত্রীর সম্পদ নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের দাবি, প্রতিবেদনে হলফনামার তথ্য আংশিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। হলফনামায় এক হাজার ৮২৪ শতাংশ সম্পত্তি এবং ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্য থাকলেও প্রতিবেদনে মাত্র ৩১ শতাংশ সম্পত্তির তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে, যা সম্পদের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে না। সচেতন মহলের ধারণা, ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে হলফনামায় উল্লেখিত সম্পদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।

এ ছাড়া প্রতিমন্ত্রীর নামে নতুন করে ২৪২ শতাংশ জমি ক্রয়ের যে দাবি করা হয়েছে, সেটিও সঠিক নয়।

দৈনিক পুনরুত্থান /

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন