উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ষড়যন্ত্র ও চরিত্রহননের প্রতিবাদে মুখ খুললেন গিয়াস উদ্দিন
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ষড়যন্ত্রে লালমনিরহাট টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি)-এর ওয়েল্ডিং ট্রেডের সাবেক ইনচার্জ মোঃ গিয়াস উদ্দিন কবির সাগরের বিরুদ্ধে সম্প্রতি যে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশিক্ষণ পরিবেশ বিনষ্টের অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা,
সাজানো ও পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ বলেনএর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, একটি প্রশাসনিক পদ পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে একটি সুবিধাবাদী মহল তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। “যারা বছরের পর বছর অনিয়ম দেখেও চুপ ছিল, আজ তারাই নৈতিকতার মুখোশ পরে আমাকে দোষারোপ করছে এটাই সবচেয়ে হাস্যকর,”
প্রতিবাদকারী গিয়াস উদ্দিন কবির সাগর আরো বলেন, “একজন প্রশিক্ষক হিসেবে দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে আমি লালমনিরহাট টিটিসিতে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। আমার সময়ে শত শত প্রশিক্ষণার্থী দক্ষতা অর্জন করে কর্মসংস্থানে যুক্ত হয়েছে। আজ সেই ইতিহাস মুছে দিয়ে আমাকে ‘দুর্নীতির কান্ডারী’ বানানোর চেষ্টা চলছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যাচার।”
কোটি টাকার CNC মেশিন নিয়ে ওঠা অভিযোগকে চরম অপব্যাখ্যা ও অজ্ঞতাপূর্ণ মন্তব্য আখ্যা দিয়ে এ সময়ে তিনি বলেন, “সরকারি মেশিন ক্রয় কোনো একক ব্যক্তির সিদ্ধান্তে হয় না। এটি বহু স্তরের অনুমোদন ও কারিগরি প্রক্রিয়ার বিষয়। অবকাঠামো ও বিশেষজ্ঞ জনবল ছাড়া মেশিন চালু করা অসম্ভব এই বাস্তবতা ইচ্ছাকৃতভাবে আড়াল করা হচ্ছে।”
ওয়েল্ডিং ট্রেডের ফলাফল নিয়ে তাকে এককভাবে দায়ী করাকে তিনি প্রশাসনিক অযোগ্যতা ঢাকার কৌশল বলে মন্তব্য করেন। তার ভাষায়, “একটি ব্যাচের ফলাফলকে সামনে এনে পুরো ট্রেড ইনচার্জের চরিত্র হত্যা করা নজিরবিহীন। প্রশিক্ষণার্থীদের উপস্থিতি, পরীক্ষার কাঠামো ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায় এড়াতে আমাকে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে।”
নিজেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বা আয়-ব্যয় কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়ার অভিযোগকে তিনি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে তা প্রত্যাখ্যান করেন। “যারা এসব কথা ছড়াচ্ছে, তারা প্রমাণ দিক—নচেৎ এটি স্পষ্ট মানহানির শামিল বলেন সাগর ,”
টিটিসির একাধিক বর্তমান ও সাবেক প্রশিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গিয়াস উদ্দিন কবির সাগর ছিলেন একজন দক্ষ ও শৃঙ্খলাবান প্রশিক্ষক। তাদের মতে, “নতুন ব্যবস্থাপনায় নিজের ব্যর্থতা ঢাকতেই একটি পক্ষ পুরোনো কর্মকর্তাকে টার্গেট করছে।”
গিয়াস উদ্দিন কবির সাগর স্পষ্ট করে বলেন, “আমি যেকোনো নিরপেক্ষ তদন্তে প্রস্তুত। তবে, অপপ্রচার, মিথ্যা সংবাদ ও চরিত্রহননের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবো।”
আর সচেতন মহলের মতে, লালমনিরহাট টিটিসির মতো গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি প্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে ব্যক্তিগত চরিত্র হনন বন্ধ হওয়া জরুরি। অন্যথায় এতে প্রতিষ্ঠান, প্রশিক্ষণার্থী ও সামগ্রিক কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
ড়যন্ত্র ও চরিত্রহননের প্রতিবাদে মুখ খুললেন গিয়াস উদ্দিন কবির সাগর
দৈনিক পুনরুত্থান /
- বিষয়:
- ষড়যন্ত্র
- চরিত্রহন
- গিয়াস উদ্দিন
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন
আপনার মতামত লিখুন: