• ঢাকা
  • রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১

Advertise your products here

  1. রাজধানী

সাকরাইন উৎসবকে ঘিরে কোটি টাকার বাণিজ্য শাঁখারী বাজারে


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ০২:০০ পিএম
সাকরাইন-উৎসবকে-ঘিরে-কোটি-টাকার-বাণিজ্য-শাঁখারী-বাজারে
ফাইল ফুটেজ

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন উৎসবকে ঘিরে শাঁখারী বাজারে কোটি টাকার বাণিজ্য চলছে। গত এক সপ্তাহ আগ থেকেই এ উৎসবকে সামনে রেখে ধুম চলছে কেনা-বেচায়। সাকরাইনকে উপলক্ষ করে ব্যবসায়ীদের দাবি এবার শাঁখারী বাজারে পণ্যসামগ্রী কেনা-বেচা হবে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় কোটি টাকার।

এসব পণ্যসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে সুতো, নাটাই, বিভিন্ন রঙের ঘুড়িসহ বিভিন্ন রকমের পটকাও আতশবাজি সামগ্রী। সাথে ফানুসের কেনা-বেচাও চলছে রঙবেরঙ । শাঁখারী বাজারে ঘুরে দেখা যায় কাউটাদার, চশমাদার, পঙ্খিরাজ, চক্ষুদার, প্রজাপতি, ঈগল, , চারবোয়া, দুই বোয়া, সাদা ঘুড়ি, টেক্কা,লাভ ঘুড়ি, ৩ টেক্কা, মালাদার, চিল, দাবা ঘুড়ি, বাদুর, অ্যাংগ্রি বার্ডসহ ধুম লেগেছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিভিন্ন নামে ঘুড়ি বিক্রিতে।

আরও পড়ুন>> কয়েকটি সড়কে রাত থেকেই বন্ধ থাকবে যান চলাচল

শাঁখারী বাজারে ১৫ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত সাধারণ ঘুড়ি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও নানান নকশা করা ঘুড়ি ১৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত কেনা-বেচা হয়। হাজার টাকার ওপরেও কিছু কিছু ঘুড়ির দাম। এখানে সুতা কেনা-বেচা ও বিভিন্ন রকমের নাটাই ধুম পড়েছে ঘুড়ির সাথে। নাটাইয়ের মধ্যে মুখবান্ধা নাটাই, বাটিওয়ালা নাটাই, লোহার নাটাই, চাবাডী নাটাই, কাঠের নাটাই ১৫০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। সুতোর মধ্যে ভুত সুতা, ড্রাগন সুতা, বিলাই সুতো, ঘুড়ি ওড়ানোর জন্য ২০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের সুতা বিক্রি হয়ে থাকে। এছাড়াও এখানে বিভিন্ন দরে বিভিন্ন আকৃতির পটকা, ফানুস ও আতশবাজিও বিক্রি হচ্ছে ।

এখানে আতশবাজি পাওয়া যায় ১০০ টাকা থেকে ২৫০০ টাকা পর্যন্ত। শাঁখারী বাজারে স্বত্বাধিকারী সুদেব সুর বলেন, ইতোমধ্যে আমরা ঘুড়ি বিক্রি করেছি দেড় লাখ পিচের অধিক। আরও এক লাখের অধিক ঘুড়ি আশা করি আগামী দুদিনে বিক্রি করতে পারবো। যত রকমের ঘুড়ির প্রচলন আছে আমাদের দেশে সবগুলোই বিক্রি করে থাকি আমরা। আমি ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকার অধিক আশা করি এ বছর কেনা-বেচা করতে পারবো।

অন্যান্য খবর>> আরেক দফায় বাড়তে পারে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম!

উল্লেখ্য, 'সাকরাইন' পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী উৎসব। যাকে মকরক্রান্তি মহাভারতে বলা হয়। এদিনে বুড়িগঙ্গা তীরবর্তী শহরের আকাশ ঘুড়ি ওড়ানোর পাশাপাশি রঙবেরঙ ফানুশ ও সন্ধ্যায় বর্ণিল আতশবাজিতে ছেয়ে যায়। ঢাকার অন্যান্য এলাকায় এখন পুরান ঢাকা ছাড়াও পালন করা হয় এ উৎসব। আগে সাকরাইন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পালন করলেও এখন সব ধর্মীয় মানুষের কাছে এটি সমাদৃত হচ্ছে বাঙালি সংস্কৃতি হিসেবে।

 

পুনরুত্থান/সালেম/সাকিব/এসআর

দৈনিক পুনরুত্থান / স্টাফ রিপোর্টার

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন