• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. জাতীয়

চিড়িয়াখানা থেকে সরিয়ে সাদা মহিষটি নেওয়া হলো যেখানে


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১:৩৩ এএম;
চিড়িয়াখানা থেকে সরিয়ে সাদা মহিষটি নেওয়া হলো যেখানে

মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা থেকে আলোচিত সাদা মহিষটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মহিষটিকে সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিএলআরআই) নেওয়া হয়েছে।

অ্যালবিনো জাতের আলোচিত মহিষটিকে বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

রবিবার (২১ জুন) প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় জাতীয় চিড়িয়াখানা থেকে মহিষটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএলআরআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএলআরআই কর্মকর্তারা।

ইতিমধ্যে মহিষটির বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও গবেষণার লক্ষ্যে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মহিষ উৎপাদন গবেষণা বিভাগের প্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা গৌতম কুমার দেবকে প্রধান করা হয়েছে।

গৌতম কুমার দেব জানান, মহিষটিকে বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যেহেতু মহিষটি চিড়িয়াখানায় ছিল, তাই আগামী ১৪ থেকে ২১ দিন পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। মহিষটি রোগমুক্ত কি না, সেটি নিশ্চিত হওয়া এবং রোগমুক্ত রাখার বিষয়টিকে এই সময়ে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে। এরপর মহিষটিকে কীভাবে গবেষণায় ব্যবহার করা যায়, সেটি ভাবা হবে।

তিনি জানান, মহিষটিকে খামারিরা যেহেতু ফ্যাটেনিংয়ের (মোটাতাজাকরণ) জন্য তৈরি করেছিল, সে জন্য দীর্ঘ মেয়াদে এটাকে রাখা বেশ চ্যালেঞ্জের। তিনি বলেন, ‘কোয়ারেন্টাইনের পিরিয়ডটা আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। ২১ দিন পর প্রজননের উপযোগী আছে কি না, এমন নানা বিষয় নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করা হবে।’

পবিত্র ঈদুল আজহার আগে দেশজুড়ে আলোচনায় আসে অ্যালবিনো মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’। প্রায় ৭০০ কেজি ওজনের গোলাপি-সাদা রঙের মহিষটির মাথার সামনের সোনালি চুল এবং কিছু শারীরিক বৈশিষ্ট্যের কারণে খামারিরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম অনুসারে এর নাম রাখেন।

কোরবানির পশুর হাটে মহিষটি ব্যাপক সাড়া ফেলে। পরে দেশীয় গণমাধ্যমের পাশাপাশি দ্য টেলিগ্রাফ, দ্য ইনডিপেনডেন্ট, এএফপি ও রয়টার্সসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এটি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর মহিষটিকে সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ক্রেতাকে অর্থ পরিশোধ করে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের মাধ্যমে মহিষটিকে জাতীয় চিড়িয়াখানায় হস্তান্তর করা হয়।

কিন্তু চিড়িয়াখানায় প্রদর্শনের সময় নতুন বিতর্কের জন্ম হয়। মহিষটির পরিচিতি ফলকে নাম লেখা হয় ‘ডোনাল্ড ট্টাম্প’। ‘ট্রাম্প’-এর পরিবর্তে ‘ট্টাম্প’ লেখার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা ও বিদ্রুপ শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ ফলকটি পরিবর্তন করে। পরে মহিষটির নাম পরিবর্তন করে ‘সাদা মহিষ’ রাখা হয়।

দৈনিক পুনরুত্থান /

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন