• ঢাকা
  • বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. জাতীয়

কলকাতায় দুলতে থাকা মেসির ভাস্কর্য সরিয়ে ফেলার নির্দেশ


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৮:২৪ পিএম;
কলকাতায় দুলতে থাকা মেসির ভাস্কর্য সরিয়ে ফেলার নির্দেশ

লিওনেল মেসিকে ঘিরে ভারতীয়দের উন্মাদনা নতুন কিছু নয়। তবে সেই ভালোবাসার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা বিশাল এক ভাস্কর্যই এখন হয়ে উঠেছে নিরাপত্তাঝুঁকির কারণ।

বাতাসে দুলতে শুরু করায় কলকাতায় স্থাপন করা মেসির ৭০ ফুট উঁচু ভাস্কর্যটি সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

মেসির এই ভাস্কর্যের অবস্থান কলকাতা মহানগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেএমডিএ) আওতাধীন লেকটাউন এলাকায়। সেখানকার ব্যস্ত এক সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সোনালি রঙের ভাস্কর্যটিতে আজ কর্মীদের উঠে দড়ি বেঁধে সেটিকে স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করতে দেখা যায়। ভাস্কর্যটিতে দেখা যায়, বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরে আছেন মেসি।

গত ডিসেম্বরে মেসির গোট ট্যুর অব ইন্ডিয়া উপলক্ষে ভাস্কর্যটি উন্মোচন করা হয়েছিল। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যেই সেটি নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা।

পশ্চিমবঙ্গের আইন প্রণেতা শরদ্বত মুখার্জি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘কলকাতায় আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তির ভাস্কর্যটিকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রকৌশলীরা অনিরাপদ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। আমরা লক্ষ করেছি, ভাস্কর্যটি বাতাসে দুলছে।

’মেসির ভাস্কর্য সরিয়ে ফেলার পরিকল্পনা করা হলেও কাজটি মোটেও সহজ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শরদ্বত মুখার্জি, ‘ভাস্কর্যটি সরানো যতটা সহজ মনে হয়েছিল, বাস্তবে ততটা নয়। যত দ্রুত সম্ভব এটি সরিয়ে ফেলার পরিকল্পনা করছি।’ তবে ভাস্কর্যটি অন্য কোথাও পুনঃস্থাপন করা হবে কি না, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। 

পশ্চিমবঙ্গের গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীরা আজ মেসির ভাস্কর্য পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। তারা জানিয়েছেন, এটি বিপজ্জনক অবস্থায় আছে এবং যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে।

পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম এবিপি আনন্দের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেসির ভাস্কর্য অক্ষত অবস্থায় নামাতে প্রয়োজন একাধিক বিশাল ক্রেন। সেগুলো রেখে কাজ করতে গেলে লেকটাউনের মতো ব্যস্ত জায়গায় যান চলাচল বন্ধ রাখতে হবে। বন্ধ করতে হবে বিদ্যুৎ সংযোগও। ভাস্কর্যের পাশেই সাবওয়ে। তার ওপর এত ভারী ক্রেন রাখা সম্ভব কি না, এ নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছে। 

দৈনিক পুনরুত্থান /

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন