চিকিৎসার অভাবে থেমে যেতে পারে মুয়াজ্জিনের আজানের সুর
যার পবিত্র আজানের সুর প্রতিদিন ডেকে আনত শত শত মুসল্লিকে, যার দরদি কণ্ঠে মুখরিত হতো চারপাশ, সেই প্রিয় মুয়াজ্জিন আজ গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালের বিছানায়। অর্থাভাবে ব্যাহত হচ্ছে তার চিকিৎসা।
মাথায় পানি জমে গুরুতর অসুস্থ হয়ে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বরিশালের গৌরনদী পৌরসভার আট নম্বর ওয়ার্ডের গেরাকুল মিয়াবাড়ি জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন মো. সেকান্দার আকন। তবে অর্থাভাব ও চরম দারিদ্র্যের কারণে তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সহজ-সরল ও এলাকাবাসীর অত্যন্ত প্রিয় ব্যক্তি মো. সেকান্দার আকন দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে প্রথমে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৮ অক্টোবর তাকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে সেখানে শয্যা খালি না থাকায় পরে তাকে দ্রুত শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, সেকান্দার আকনের মাথায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জমে থাকা পানি বের করতে হবে। এ ক্ষেত্রে দেরি করার সুযোগ নেই। কিন্তু ব্যয়বহুল অস্ত্রোপচার ও চিকিৎসার খরচ বহন করা তার অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। এতে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তার স্বজনরা।
মধুর আজানের সুরে মানুষকে ইবাদতের আহ্বান জানানো এই মানুষটি কি অর্থের অভাবে যথাযথ চিকিৎসা পাবেন না? এমন আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। নিরুপায় হয়ে অসহায় মুয়াজ্জিন সেকান্দার আকনের পরিবার সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছে।
মানবিকতার টানে এবং অসহায় একজন মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেশ-বিদেশের বিত্তবান ব্যক্তি ও প্রবাসী ধর্মপ্রাণ ভাই-বোনদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে পরিবারটি। কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে সরাসরি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
যোগাযোগের নম্বর (মোবাইল/বিকাশ/নগদ): ০১৩০৩-৩৬৪৫২৮
যোগাযোগকারী: আজাদ আকন (মুয়াজ্জিন সেকান্দার আকনের ভাতিজা)
সবার সামান্য সহযোগিতায় সেকান্দার আকনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সম্ভব হতে পারে। মানুষের সম্মিলিত সহায়তায় তিনি আবারও সুস্থ হয়ে মসজিদে ফিরে আজানের সুরে মুসল্লিদের ইবাদতের আহ্বান জানাতে পারবেন, এমন প্রত্যাশা তার পরিবার ও এলাকাবাসীর।
দৈনিক পুনরুত্থান /
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন
আপনার মতামত লিখুন: