• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

Advertise your products here

  1. জাতীয়

কুড়িগ্রাম নাগেশ্বরীর দুর্গম চরে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৬:২৫ পিএম
কুড়িগ্রাম নাগেশ্বরীর দুর্গম চরে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলে শহিদা বেগম (২৬) নামে এক গৃহবধূকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের গণির চরে এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। উল্লেখ নারায়ণপুর ইউনিয়নটি একটি দ্বিপ চড়,যেখানে যাতায়াতের একমাত্র বাহন নৌকা ও ঘোড়ার গাড়ি । খবর পেয়ে রাত পৌনে ১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত শহিদা বেগম ওই গ্রামের আজিজুল ইসলামের স্ত্রী। আজিজুল ইসলামের বাড়ির পাশেই একটি ছোট চায়ের দোকান রয়েছে, যা দিয়েই তাদের সংসার চলত। তাদের সংসারে রয়েছে দুই কন্যাসন্তান। এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা ও নারায়ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ঘটনার সময় আজিজুল ইসলাম বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে কালারচর বাজারে তার চায়ের দোকানে চা ও পিয়াজু বিক্রি করছিলেন। আর চার বছরের ছোট মেয়েকে নিয়ে বাড়িতে ছিলেন শহিদা বেগম।

রাত ৮টার দিকে টিউবওয়েলের পাড় থেকে মানুষের গোঙানির শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে যান। সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পান, শহিদা বেগম মাটিতে পড়ে আছেন এবং তার গলা দিয়ে প্রচুর রক্ত ঝরছে।

সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কবিরুল ইসলাম বলেন, “শহিদার গলা ও হাতে বিভৎসভাবে কোপানো হয়েছে। আশপাশে কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি। টিউবওয়েল এলাকা চারদিক থেকে টিনের বেড়া দিয়ে ঘেরা। সহজে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনার সঙ্গে পরিচিত কেউ জড়িত।

কচাকাটা থানার ওসি সোহেল রানা বলেন, “ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে খবর পেয়ে দুটি নদী ও কয়েকটি চর পার হয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে হয়। এলাকা অত্যন্ত দুর্গম। শহিদা বেগম ভাত রান্নার জন্য চাল ধুতে টিউবওয়েলের কাছে গেলে তার গলার শ্বাসনালী কেটে দেওয়া হয়। আত্মরক্ষার চেষ্টা করায় তার হাতেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “খবর পেয়ে তার স্বামী বাজার থেকে ডাক্তার নিয়ে আসেন। তবে ততক্ষণে শহিদা বেগম মারা যান। এলাকাবাসী কেউ স্পষ্টভাবে কিছু বলতে পারছেন না। আমরা ঘটনার তদন্ত করছি। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দৈনিক পুনরুত্থান /

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন