ব্যাংকের গাফলতির কারণে ৬ দিনেও বেতন হাতে পাচ্ছেনা মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীরা
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের চলতি বছরের মে ও জুন মাসের বেতন ছাড় হলেও ব্যাংকের গাফলতিতে বেতন ছাড়ের ৬ দিন পরেও বেতন হাতে পাননি বরগুনার মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীরা।
বিগত ৭ জুলাই মাদ্রাসা অধিদপ্তর এর উপ-পরিচালকের (অর্থ) স্বাক্ষরিত দুটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের (মাদ্রাসা) শিক্ষক কর্মচারীদের মে ও জুন /২৬ মাসের বেতন ভাতাদির সরকারি অংশের ৪ টি চেক বন্টনকারী অগ্রনী ও রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের প্রধান কার্যালয় এবং জনতা ও সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের স্থানীয় কার্যালয় ৭/৭/২০২৬ খৃষ্টাব্দ তারিখে হস্তান্তর কর হয়েছে। শিক্ষক কর্মচারীগন আগামী ৮/৭/২৬ খৃষ্টাব্দ তারিখের পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হতে বেতন ভাতাদির সরকারি অংশ উত্তোলন করতে পারবে। কিন্তু আজ ১২ জুন পর্যন্ত বরগুনার মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের টাকা তাদের সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা হয়নি।
বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরামের বরগুনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল হক বলেন, বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন নিয়ে প্রায় প্রতি মাসেই টালবাহানা করে বরগুনা রূপালী ব্যাংক। বেতন দেয়ার ক্ষেত্রে প্রায়ই সাপ্তাহিক বন্ধের পূর্বের দিন বিকালে বেতন পোস্টিং দেন। তাতে শিক্ষক কর্মচারীগন ২ দিন পরে বেতন তুলতে বাধ্য হন। অনলাইনের যুগে ঢাকা থেকে টাকা আসতে ৫/৭ দিন সময় লাগে। এটি বিশ্বাসযোগ্য নয়।
রূপালী ব্যাংক বরগুনার কর্পোরেট শাখার ব্যবস্থাপক এসএম মাসুম বলেন, আমরা জানি শিক্ষকগন ২ মাস বেতন পাচ্ছেন না। আমাদের শাখায় টাকা আসলে আমরা দ্রুত দেয়ার ব্যবস্থা করবো। এখন পর্যন্ত আমাদের শাখায় টাকা আসেনি।
রুপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের উপ মহা ব্যবস্থাপক মো. নাজমুল হুদা বলেন, শিক্ষকগন কেন টাকা পায়নি বিষয়টি আমার জানা নেই। সংশ্লিষ্ট শাখা বলছে তাদের কাছে টাকা পৌছাইনি এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আগে আমাকে জানতে হবে শাখায় কেন টাকা পৌছায়নি বা কোনো সমস্যা আছে কি না।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক (অর্থ) ড. কে এম শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা তো ব্যংকে চেক জমা দেয়ার সময় ব্যাংক বলে ১ দিন পরেই শিক্ষকগন টাকা তুলতে পারবে। এটি ব্যাংকের গাফলতি অথবা স্লো সিস্টেমের ফল। আমর বিষয়টি খোঁজ খবর নিয়ে দেখবো।
দৈনিক পুনরুত্থান /
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন
আপনার মতামত লিখুন: