• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. জাতীয়

গুগলে ‘চোরের দলের ফুটবল খেলা কবে’ সার্চ দিলেই যে ফল দেখাচ্ছে


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২:২০ এএম;
গুগলে ‘চোরের দলের ফুটবল খেলা কবে’ সার্চ দিলেই যে ফল দেখাচ্ছে

গুগলে ‘চোরের দলের ফুটবল খেলা কবে’ লিখে সার্চ করলেই অনেক ব্যবহারকারীর সামনে ভেসে উঠছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ম্যাচের তথ্য। বিষয়টি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। 

প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, এটি গুগলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক নামকরণ বা স্বীকৃতি নয়। বরং দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আর্জেন্টিনা দলকে ব্যঙ্গ করে বিপুল সংখ্যক পোস্ট, ভিডিও, মিম ও ক্যাপশনে ‘চোরের দল’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে গুগলের সার্চ অ্যালগরিদম এই শব্দগুচ্ছের সঙ্গে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচের সম্পর্ক তৈরি করেছে এবং সেই অনুযায়ী সার্চ ফলাফল প্রদর্শন করছে।

এই ট্রলের পেছনে রয়েছে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ম্যাচ। ১৯৮৬ সালের ২২ জুন মেক্সিকো সিটির অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা। ওই ম্যাচেই আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলটি করেন। বল হাতে স্পর্শ করে জালে পাঠানো সেই গোলটি আজও ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বিতর্কিত মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

একই ম্যাচে ম্যারাডোনা প্রায় অর্ধেক মাঠ একাই ড্রিবল করে যে গোলটি করেছিলেন, সেটি পরবর্তীতে ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পায়। তবে ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ সমর্থকদের একটি অংশ এখনও আর্জেন্টিনাকে ব্যঙ্গ করে বিভিন্ন নামে উল্লেখ করে থাকে।

২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আবারও মুখোমুখি হয়েছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। ফলে চার দশক আগের সেই ঐতিহাসিক ম্যাচ এবং এর বিতর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অসংখ্য ট্রোল, মিম ও পোস্টের প্রভাবে ‘চোরের দলের ফুটবল খেলা কবে’— এ ধরনের সার্চও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

তবে বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই। ‘চোরের দল’ কোনো সরকারি নাম নয় এবং ফিফাও এমন কোনো পরিচয় স্বীকৃতি দেয়নি। এটি কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিপক্ষ সমর্থকদের ব্যবহৃত একটি ব্যঙ্গাত্মক শব্দ, যা ভাইরাল কনটেন্টের কারণে গুগলের সার্চ অ্যালগরিদমের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তাই এটিকে আনুষ্ঠানিক পরিচয় বা ঐতিহাসিক সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

দৈনিক পুনরুত্থান /

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন