• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. জাতীয়

রাণীনগরে এতিম শিশুদের জন্য এক মহতি উদ্যোগ, উন্মুক্ত করা হলো দালানবাড়ী ফলবাগান


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৮:২০ পিএম;
রাণীনগরে এতিম শিশুদের জন্য এক মহতি উদ্যোগ, উন্মুক্ত করা হলো দালানবাড়ী ফলবাগান

পুনরুত্থান ডেস্ক :

 

রাণীনগরে এতিম শিশুদের জন্য এক মহতি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে; উন্মুক্ত করা হয়েছে দালানবাড়ী ফলবাগান। 

 নওগাঁর রাণীনগরে এতিম শিশুদের জন্য এই মহতি উদ্যোগটি নিয়েছেন  উপজেলার করজ গ্রামের বিশিষ্ট্য সমাজসেবী প্রয়াত আবু জাহেদের সুযোগ্য পুত্র অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী কাজী ওয়াহিদুল ইকবাল। 

শুক্রবার (১৯ জিন ২০২৬) দুপুরে এতিম শিশুদের উপস্থিতিতে উপজেলার করজ গ্রামের প্রয়াত কাজী হযরত আলী, আবু জাহেদ, প্রফেসর জয়নাব, প্রকৌশলী ফাত্তাহ, ডা: মামুন এবং জামেনা বেগমের স্মৃতির স্বরণে আনুষ্ঠানিকভাবে দালানবাড়ী ফলবাগানটি উন্মুক্ত ঘোষনা করা হয়। 

‎এসময় নওগাঁ বিএমসি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ওয়ালিউল ইসলাম, নওগাঁ কেডি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আল মামুন, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কাজী আব্দুস ছোবহান, কালীগ্রাম ইউপির ইউডিসি রেজাউল ইসলাম ও দালানবাড়ী ফলবাগানের তথ্যাবধায়ক হামিদুল ইসলামসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
‎প্রকৌশলী ওয়াহিদুল ইকবাল বলেন, দাদা হযরত আলী এবং বাবা আবু জাহেদসহ পরিবারের সবাই ছিলেন বৃক্ষপ্রেমি। এছাড়াও তাদের স্ত্রী সন্তানরাও ছিলেন বৃক্ষপ্রেমি এবং শিশু বান্ধব। সেই লক্ষে তিনি নিজ বাড়ীর পাশে প্রায় দুই বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন উন্নত জাতের একটি ব্যতিক্রমি আম বাগান।
এখানে রয়েছে হানিডিউ, রেড পালমার, মিয়াজাকি বা সূর্য ডিম, ব্ল্যাকস্টোন, ব্যানানা, ব্রুনাইকিং, বাড়ি-৪, কাটিমনসহ প্রায় ১৪ জাতের আম। তিনি বলেন, এতিম শিশুরা চাহিদা অনুযায়ী ফল খেতে পারেনা। তাই শিশুদের চাহিদা মেটাতে এই বাগানটি উন্মুক্ত করে দেয়া হলো। তিনি আরও জানান, গত কয়েক বছর যাবৎ এই আম বাগান থেকে ফল পেড়ে বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়। কিন্তু নিজ হাতে শিশুরা গাছ থেকে ফল পেড়ে খাবে এতে বেশি আনন্দিত হবে এমনটি ভেবেই শুক্রবার  আনুষ্ঠানিক ভাবে পুরো বাগানটি উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। এসময় মাদ্রাসার শতাধিক এতিম শিশু বাগানে প্রবেশ করে। ফলে হাঁসি-খুশিতে ভরে ওঠে আম বাগান। যে যার মতো গাছ থেকে আম পেড়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠে। ওয়াহিদুল ইকবাল বলেন, এখন থেকে এই ফল বাগান এতিম শিশুদের, তারা বছর ধরেই ইচ্ছে মতো যখন খুশি বাগান থেকে ফল খাবে। এতে কেউ বাঁধা দিবে না। এর আগে শিশুদের মাঝে একটি করে স্কুল ব্যাগ বিতরণ করা হয়। পরে জুমার নামাজ শেষে মধ্যাহ্নভোজে সামিল হয় এতিম শিশুরা। এতিম শিশুদের সাথে নিয়ে ফলবাগানের পাশে আরো প্রায় দুই বিঘা জমিতে বিভিন্ন রকমের ফলজবৃক্ষ রোপনের উদ্বোধন করেন প্রকৌশলী ওয়াহিদুল ইকবাল। শেষে ওয়াহিদুল ইকবালের পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের জন্য দোয়া করা হয়।

দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন