• ঢাকা
  • রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

Advertise your products here

  1. জাতীয়

জ্বালানি সংকটের মধ্যেই খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রি তেল, প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৬:২৬ পিএম;
জ্বালানি সংকটের মধ্যেই খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রি তেল, প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন

নুর-আমিন, খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

 

দিনাজপুরের খানসামায় জ্বালানি সংকটের মধ্যেই খোলা বাজারে চড়া দামে অকটেন-পেট্রোল বিক্রি, প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন

দিনাজপুরে জ্বালানি তেলের সংকট দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে দেশের সরবরাহ ব্যবস্থায়। তবে এই সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে স্থানীয় পর্যায়ে তদারকির অভাব।

পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি—সরকারি সরবরাহ কমে যাওয়ায় তারা পর্যাপ্ত তেল পাচ্ছেন না। ফলে অনেক পাম্পে বিক্রি সীমিত করা হয়েছে, কোথাও কোথাও কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

অন্যদিকে, খোলা বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে অকটেন ও পেট্রোল। অভিযোগ রয়েছে, প্রতি লিটার ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকায় এসব তেল বিক্রি হচ্ছে, যা নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় অনেক বেশি।

স্থানীয়দের প্রশ্ন—যখন বৈধ পাম্পগুলো তেল পাচ্ছে না, তখন খোলা বাজারের দোকানগুলো এই তেল পাচ্ছে কোথা থেকে?

সচেতন মহলের অভিযোগ, প্রশাসনের কার্যকর নজরদারির অভাবে একটি চক্র গড়ে উঠেছে, যারা এই সংকটকে কাজে লাগিয়ে অবৈধভাবে তেল মজুদ ও বিক্রি করছে। খোলা বাজারে দিনের পর দিন এভাবে উচ্চমূল্যে তেল বিক্রি হলেও দৃশ্যমান কোনো অভিযান বা কঠোর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।

একজন ভুক্তভোগী বলেন, “পাম্পে তেল নেই, কিন্তু রাস্তায় গেলেই পাওয়া যায়—তাও দ্বিগুণ দামে। অথচ প্রশাসনের কেউ কিছু বলছে না।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরবরাহ সংকটের পাশাপাশি যদি তদারকি দুর্বল থাকে, তাহলে কালোবাজারি আরও বেড়ে যায় এবং সাধারণ মানুষকে এর চরম মূল্য দিতে হয়।

আন্তর্জাতিক সংকটের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসনের নজরদারির অভাব খানসামায় জ্বালানি পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান ডেস্ক

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন