• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. জাতীয়

ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশকে ১৬০-১৫০-এর মধ্যে আনতে চান ডুলি


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৭:৪৫ পিএম;
ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশকে ১৬০-১৫০-এর মধ্যে আনতে চান ডুলি

বাংলাদেশ ফুটবল দলের নতুন কোচ হিসেবে এসেছেন আমেরিকার ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক থমাস ডুলি। আজ সকালে ঢাকায় নেমে কয়েক ঘণ্টা বিশ্রাম নিয়ে বিকেলে ক্রীড়া লেখক সমিতির পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে এসেছেন। এক পর্যায়ে মঞ্চে উঠেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের নতুন কোচ। ফুটবল দলের নতুন কোচের এভাবে পরিচিতি আগে কখনো হয়নি। 

বাংলাদেশে আগমন নিয়ে থমাস ডুলি বলেন, ‘আমি এশিয়ায় বহু বছর কাজ করেছি। আমার মনে আছে, যুক্তরাষ্ট্রের একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমরা চীন এবং কোরিয়া... না, জাপানে গিয়েছিলাম। তখন আমি এশিয়া সম্পর্কে খুব একটা পরিচিত ছিলাম না, তাই ভাবছিলাম—আমি জানি না এখানে কাজ করতে পারব কি না। এরপর আমি ফিলিপাইন সম্পর্কে জানতে পারি এবং ফিলিপাইন জাতীয় দলের হয়ে কাজ করার সুবাদে এশিয়ার সব জায়গায় ভ্রমণ করি এবং জায়গাটি আমার দারুণ লেগে যায়। আমি সত্যিই এখানে আবারও কাজ করতে চেয়েছিলাম। এশিয়ায় যদি কোনো সুযোগ আসে, তবে আমি যেতে চাই। আমি বাংলাদেশ সম্পর্কে কিছুটা জানতামও। তাই যখন প্রধান কোচের এই পদটি খালি হলো, আমি আবেদন করলাম। আমি ভাবলাম এখানে কাজ করতে পারলে দারুণ হবে, কারণ এটি ফিলিপাইনেরও কাছাকাছি যেখানে আমি খেলেছি, আবার আমার বাবা-মায়ের দেশ জার্মানির সাথেও যোগাযোগ রাখা সহজ।’

বাংলাদেশের ফুটবলে সমর্থকদের উন্মাদনা অনেক। এটা চাপ মনে করছেন না হামজাদের নতুন কোচ, ‘না, এটা কোনো ব্যাপার না, আমি এর জন্য প্রস্তুত। তবে আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে। আমি সবসময় আমার খেলোয়াড়দের এবং ফেডারেশনকেও বলি—আমরা যেকোনো কিছু অর্জন করতে পারি, যদি লক্ষ্যটি বাস্তবসম্মত হয়। আর আমরা গত কত বছর ধরে কিছু জিতিনি, ২৩ বছর? এখন সময় এসেছে কিছু করে দেখানোর।’

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান হলেও বাংলাদেশে তার লক্ষ্য নিয়েও ধারণা দিয়েছেন, ‘পুরস্কার পাওয়ার আগে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। জীবনে কোনো কিছু অর্জন করতে হলে আপনাকে কিছু না কিছু ত্যাগ করতেই হবে। আর যারা সেটা করতে রাজি আছে, তাদের নিয়ে আমরা সফল হতে পারব। তাই আমার লক্ষ্য হলো র‍্যাঙ্কিংয়ে ১৬০ বা ১৫০-এর মধ্যে চলে আসা। এটা রাতারাতি হবে না। এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া।’

এ নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমি একটা বইও লিখেছি—'দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট সাকসেস ইন সকার দ্যাট নো ওয়ান টিচেস' (ফুটবলে সাফল্যের সেই সত্য যা কেউ শেখায় না)। সেখানে চারটি মূল স্তম্ভের কথা বলা হয়েছে এবং তার একটি হলো মানসিকতা। আর মানসিকতা হুট করে বদলায় না, এটা হলো আপনার চিন্তা করার ধরন। আমাদের ফুটবল নিয়ে ভাবতে হবে এবং আমাদের কী করা দরকার তা বুঝতে হবে, তাহলেই আমরা যে কোনো কিছু অর্জন করতে পারব। লক্ষ্যটা বাস্তবসম্মত হতে হবে। ১৬০-এর নিচে নামাটা বাস্তবসম্মত, তবে তা আগামীকালই সম্ভব নয়, হয়তো এক বছরের মধ্যে সম্ভব।’

দৈনিক পুনরুত্থান /

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন