• ঢাকা
  • বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২

Advertise your products here

  1. জাতীয়

যুগ্ম-সচিব সিরাজুল ইসলামের জানাজা সম্পন্ন


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: বুধবার, ০১ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০:১১ পিএম;
যুগ্ম-সচিব সিরাজুল ইসলামের জানাজা সম্পন্ন

মিজান উর রহমান, বোয়ালমারী (ফদিপুর) প্রতিনিধি :

 

যুগ্ম-সচিব সিরাজুল ইসলামের নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুগ্ম-সচিব পদ মর্যাদার এলজিইডি মণত্ম্রনালয়ের অধীনস্থ গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় কর্মরত সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উন্নত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বাপার্ড এর পরিচালক (এডমিন ও ফাইনান্স) মো: সিরাজুল ইসলামের জানাজা বুধবার (০১ এপ্রিল ২০২৬) বাদ মাগরিব স্থানীয় বেলজানী-খরসূতী কাসেমুল উলুম মাদ্রাসায় সম্পন্ন হয়। জানাজা শেষে স্থানীয় খরসূতী-বেলজানী কবরস্থানে মরহুমের লাশ দাফন করা হয়েছে। মরহুমের নামাজে জানাজায় তাঁর দীর্ঘ কর্ম জীবনের সহকর্মী, স্থানীয় গন্যমান ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দসহ শত শত এলাকাবাসী ও আত্মীয় পরিজন অংশ গ্রহণ করেন।
 
তিনি বুধবার (০১ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ০৯.৩০ ঘটিকায় রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারী হাসপাতালে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন । (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহী রাজিউন)। বেশ কিছুদিন যাবৎ তিনি লেভার সিরোসিস রোগে ভুগছিলেন ।  গত রাত ১২টায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাঁকে ঢাকার একটি বেসরকারী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
 
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর। তিনি স্ত্রী এবং দুই সন্তান এবং অসংখ্য গুনগ্রাহী  রেখে গেছেন। সিরাজুল ইসলামের অকাল প্রয়ানে তাঁর পরিবারে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 

ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলাধীন বানিয়াড়ী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তিনি ১৯৭৩ খ্রি: জন্ম গ্রহণ করেন। ৫ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ। উল্লেখ্য তাঁর বড় ভাই এবং বোনেরা  সকলেই জীবিত রয়েছেন। 

মো: সিরাজুল ইসলাম ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ খরসূতী  চন্দ্র কিশোর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৮৮ সালে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি পাশ করেন । মধুখালী  সরকারী আইনুদ্দীন কলেজ থেকে ১৯৯১ সালে এইচএসসি পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অনার্সসহ বিবিএ এবং এমবিএ সম্পন্ন করেন। ১৯৯৮সালে বোয়ালমারীতে অবস্থিত নারী শিক্ষার অন্যতম বিদ্যাপিঠ কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজে শিক্ষক হিসাবে যোগদানের মাধ্যমে কর্ম জীবন শরু করেছিলেন। ১৯৯৯ সালে ১৮তম বিসিএস (শিক্ষা) উত্তীর্ণ হয়ে মাদারীপুর সরকারী কলেজে যোগদান করেন। এরপর তিনি রাজবাড়ী সরকারী কলেজ, মাগুরা সরকারী কলেজসহ বিভিন্ন সরকারী কলেজে চাকুরী করেছেন। ২০২৩ এ শিক্ষা থেকে প্রশাসনে স্থানান্তরিত হয়ে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় এলজিইডি মন্ত্রনালয়ের অধীনে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উন্নত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বাপার্ড এ পরিচালক (এডমনি ও ফাইন্যান্স) হিসাবে যোগদান করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সেখানেই দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

সিরাজুল ইসলামের অসমেয় চলে যাওয়ায় তাঁর পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি হলো। তার দুটি সন্তানই বিশ্বাবিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেন। সিরাজুল ইসলামের মৃত্যুতে শোক সন্তোপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও বিদহেী আত্মার শান্তি কামনা করেছেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক এমপি প্রবীন জননেতা শাহ মো: আবু জাফর, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব রফিউদ্দীন মোল্লা, বীরমুক্তিযোদ্ধা সাইফুজ্জামান জিন্নাহ, দৈনিক পুণরুত্থানের সহযোগি ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মিজান উর রহমান, ময়না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: আব্দুল হক মৃধা, প্রাক্তণ ইউপি চেয়ারম্যান নাসির মো: সেলিম।

দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান ডেস্ক

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন