যুদ্ধে লাগামহীন তেলের বাজার
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে। এশিয়ার বাজারে কেনাবেচা শুরু হওয়ার পর গতকাল সোমবার এক দিনেই দাম বাড়ল ১৩ শতাংশ, তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। গত এক সপ্তাহে দাম বেড়েছে ৩৮ শতাংশ। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলারে পৌঁছার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
বিপিসি ও জ্বালানি বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বর্তমানে যে দুটি জাহাজে ডিজেল এসেছে, সেটি বর্তমান বিশ্ববাজার দর হিসেবে প্রতি লিটার ডিজেলে খরচ পড়ছে প্রায় ১৪২ টাকা, কিন্তু বর্তমানে দেশে বিপিসি বিক্রি করছে প্রতি লিটার ১০০ টাকায়। দেশে প্রতি মাসে ১৫ জাহাজ তেল প্রয়োজন হয়। এখন যদি বিশ্ববাজারে তেলের দাম না কমে, তাহলে সেই হিসাবে মাসে বাড়তি খরচ পড়বে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। ফলে দেশে দাম সমন্বয় না হলে পুরোটাই সরকারকে ভর্তুকির মাধ্যমে পূরণ করতে হবে বলেও জানান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালাচ্ছে এবং ইরান পাল্টা জবাব দিচ্ছে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে এই বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক বিমান হামলায় ইরানের একাধিক তেল ডিপোসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস হয়েছে। অন্যদিকে ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোর তেল অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা বিশ্বের ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের জন্য জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির হুমকি সৃষ্টি করেছে।
এই ধাক্কার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের মতো তেল আমদানি নির্ভর দেশগুলোর অর্থনীতিতে। জ্বালানি আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ বাড়ছে, যার ফলে সরকারের ভর্তুকির অঙ্কও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) দাম আরো বাড়তে পারে। এতে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকির চাপ বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি শিল্পোৎপাদন, বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে।
বিদ্যুৎ বিভাগের একটি সূত্র জানায়, এরই মধ্যে বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) কাছে দেশি-বিদেশি কম্পানির পাওনা ৪৬ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা আর্থিক সংকট আরো গভীর করছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত অনুসারে ভর্তুকি কমানোর চাপে সরকার দ্বিধায় পড়েছে, যা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে নীতিগত ও কাঠামোগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করেছে।
এই সংকটের মূলে রয়েছে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহনের নিরাপত্তা উদ্বেগ। প্রতিদিন বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এই পথ দিয়ে যায়। যুদ্ধের কারণে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে, যা এশিয়ার দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলছে।
বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়াল : যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ তীব্রতর হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ২০২২ সালের পর প্রথমবারের মতো ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহন আরো ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বাজারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং ইকোনমিকস জানায়, গতকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ১৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল দাঁড়ায় ১০২.৯৮ ডলারে। এর পাশাপাশি ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ১৩.৪৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৫.১৬ ডলারে পৌঁছেছে।
বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগজনক : বিশ্লেষকদের মতে, যদি হরমুজ প্রণালি মার্চের শেষ পর্যন্ত বন্ধ থাকে, তাহলে তেলের দাম ১৫০ ডলারেরও বেশি উঠতে পারে, যা রেকর্ড স্তরের কাছাকাছি। এই সংকট দীর্ঘায়িত হলে ১৯৭০-এর দশকের মতো জ্বালানি শকের পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং উৎপাদন হ্রাস ঘটাবে।
বাংলাদেশের মতো তেল আমদানি নির্ভর দেশের জন্য এই পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। দেশে বছরে ছয় থেকে সাত মিলিয়ন টন জ্বালানি তেল আমদানি হয়, যার বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে। তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০ ডলার বাড়লে আমদানি ব্যয় অনেক বেড়ে যায়। আর তা যদি ১৫০ ডলারে উঠে যায়, তাহলে আমদানি ব্যয় কয়েক বিলিয়ন ডলার বাড়তে পারে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ সৃষ্টি করবে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) লোকসানের মুখে পড়তে পারে, যদি না দাম সমন্বয় করা হয়। এই সংকটে বিদ্যুৎ খাতেও চাপ বাড়বে, কারণ অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র ফার্নেস অয়েল নির্ভর। উৎপাদন খরচ বাড়লে ভর্তুকি বাড়াতে হবে বা বিদ্যুতের দাম বাড়াতে হবে। আইএমএফের শর্ত অনুসারে ভর্তুকি কমানোর চাপে সরকারের সামনে কঠিন সিদ্ধান্ত।
দেশে দেশে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম : ভিয়েতনাম এরই মধ্যে ডিজেল ও পেট্রলের দাম ২১ শতাংশ বাড়িয়েছে, যখন চীন, জাপান, ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলো আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাকিস্তানে পেট্রলের দাম লিটারপ্রতি ২০ শতাংশ বেড়ে ৩২০ রুপিতে পৌঁছেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে এক সপ্তাহে পেট্রলের দাম ১০ শতাংশ বেড়েছে, ইউরোপে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ছে এবং অস্ট্রেলিয়ায় লিটারপ্রতি দুই অস্ট্রেলিয়ান ডলার ছাড়িয়েছে। এশিয়ার বড় তেল আমদানিকারক দেশগুলো বিকল্প উৎস খুঁজছে এবং মজুদ বাড়ানোর চেষ্টা করছে।
সাত অর্থবছরে এলএনজিতে ভর্তুকি ৩৭ হাজার কোটি টাকা : ধারাবাহিকভাবে কমছে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন। গ্যাসের চাহিদা পূরণে বাড়ানো হয়েছে উচ্চমূল্যে আমদানীকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ। দেশে গ্যাসের বাড়তি চাহিদা পূরণে ২০১৮ সাল থেকে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। ২০১৮-১৯ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর, অর্থাৎ সাত অর্থবছরে এলএনজি আমদানিতে ব্যয় হয়েছে দুই লাখ পাঁচ হাজার ২৫৪ কোটি টাকা। এই সময়ে এলএনজিতে ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে ৩৬ হাজার ৭৬৫ কোটি ২৭ লাখ টাকা। পেট্রোবাংলা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
চাপে সরকার : অতীতে তেলের দামের ধাক্কা বাংলাদেশ কয়েকবার অনুভব করেছে। ২০০৮ সালে বিশ্ববাজারে দাম ১৪৭ ডলারে পৌঁছে, তখন বিপিসিকে বড় ভর্তুকি নিয়ে জ্বালানি বিক্রি করতে হয়। ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দাম ১০০ ডলারের ওপরে থাকায় সরকার কয়েক দফা দাম বাড়াতে বাধ্য হয়। ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের পর দাম বেড়ে গেলে জ্বালানির মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়। এই অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, বিশ্ববাজারে বড় ধাক্কা এলে দেশের জ্বালানি মূল্য দীর্ঘকাল স্থির রাখা সম্ভব হয় না।
সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বলছেন, দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ ও সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির অনিশ্চয়তায় অতিরিক্ত চাহিদার কারণে সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির অনিশ্চয়তা বিবেচনায় সরকার তেল ব্যবহারে রেশনিং ব্যবস্থা চালু রেখেছে।
যদি আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ে কিন্তু দেশে বাড়ানো না হয়, তাহলে বিপিসিকে লোকসানে জ্বালানি বিক্রি করতে হবে। এর ফলে ঘাটতি দ্রুত বাড়বে, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক থেকে বড় ঋণ নিতে হবে এবং সরকারকে ভর্তুকি বাড়াতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিপিসি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান হওয়ায় তারা সংকটে পড়লে সরকার সহায়তা দেবে। কিন্তু দীর্ঘকাল লোকসানে পড়ে গেলে ঋণের বোঝা বাড়বে, যা আর্থিক খাতে চাপ তৈরি করবে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, ‘যুদ্ধ পরিস্থিতি অনিশ্চিত থাকায় জ্বালানি তেলের রেশনিং ব্যবস্থা যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত চালু থাকবে।’ আপাতত বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানান মন্ত্রী।
বিপিসির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজানুর রহমান জানিয়েছেন, ‘জ্বালানি তেল আমদানির চুক্তিগুলো সাধারণত ছয় মাস মেয়াদি হয় এবং আগামী জুন পর্যন্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। চীন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়া থেকে তেল আসবে, যে রুটে ইরান সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়ার কথা নয়। দেশে সব ধরনের জ্বালানির মজুদ রয়েছে। ফলে জ্বালানি তেল সরবরাহে তাৎক্ষণিক বিঘ্নের আশঙ্কা কম।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারের কাছে বিপিডিবি ৭৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি চেয়েছে, কিন্তু বাজেটে মিলেছে মাত্র ৩৬ হাজার কোটি। আয়-ব্যয়ের বিস্তর ফারাক, ট্যারিফ ঘাটতি এবং আইএমএফের বৈঠক সামনে রেখে খাতটি শুধু আর্থিক সংকটে নয়, নীতিগত চ্যালেঞ্জের মুখে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে, জ্বালানি নেই; বিপুল বকেয়ার মধ্যে এসে পড়েছি। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে একটা বিশৃঙ্খল অবস্থা বিরাজ করছে। বসিয়ে রেখে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভাড়া দিতে হচ্ছে। সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে, পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।’
যুদ্ধ দীর্ঘ হলে অর্থনীতির ঝুঁকি : বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম ১৫০ ডলার ছাড়াতে পারে, যা আমদানি বিল কয়েক বিলিয়ন ডলার বাড়িয়ে দেবে। বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি ৭৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়াতে পারে, যা বাজেট ঘাটতি বাড়াবে। মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে, পরিবহন খরচ বেড়ে কৃষি ও শিল্প উৎপাদন প্রভাবিত হবে। আইএমএফের শর্ত লঙ্ঘিত হলে ঋণ কর্মসূচি বিপন্ন হতে পারে। সরকারকে দাম সমন্বয় করতে হবে, যা জনসাধারণের ওপর চাপ ফেলবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বিকল্প পথে স্বল্প মেয়াদে সমাধান কঠিন। এ জন্য জ্বালানি মজুদ বাড়ানো এবং নবায়নযোগ্য উৎস বিনিয়োগ জরুরি।
এ বিষয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিম বলেন, ‘সংঘাত যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে বাংলাদেশের জন্য পরিস্থিতি আরো কঠিন হয়ে উঠতে পারে। প্রতিদিন প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি কমে গেলে শিল্প ও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনা, বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ এবং চাহিদা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার। বিকল্প হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বাড়ানো দরকার, কিন্তু তা স্বল্পমেয়াদি সমাধান নয়।’
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন বলেন, ‘যুদ্ধ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন হতে পারে। তবে দুই সপ্তাহের মধ্যে সংঘাত বন্ধ না হলে সব ধরনের জ্বালানি সরবরাহে বড় সংকট হবে। পাশাপাশি ব্যয়ও বাড়বে।’
দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান ডেস্ক
- বিষয়:
- যুদ্ধে* লাগামহীন,তেলেরবাজার
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন
আপনার মতামত লিখুন: