• ঢাকা
  • বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. জাতীয়

নিয়ম ভেঙে স্কুলে সভাপতি নিয়োগ: জাহিদুল কবিরের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন, জানে না শিক্ষা অফিস


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২:০৭ পিএম;
নিয়ম ভেঙে স্কুলে সভাপতি নিয়োগ: জাহিদুল কবিরের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন, জানে না শিক্ষা অফিস

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট নীতিমালা ও বিধিমালা তোয়াক্কা না করেই নরসিংদীর বাদুয়ারচর কাজী আবুল হাশেম উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন জাহিদুল কবির ভূঁইয়া। ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক পাস না হয়েও তিনি কীভাবে এই পদের অনুমোদন পেলেন—তা নিয়ে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বেসরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি কিংবা অন্তর্বর্তীকালীন ‘অ্যাডহক’ কমিটির সভাপতি হতে হলে প্রার্থীকে অবশ্যই ন্যূনতম *‘স্নাতক (গ্র্যাজুয়েশন) বা সমমান’* ডিগ্রিধারী হতে হবে।

তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, নতুন সভাপতি জাহিদুল কবির ভূঁইয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা *মাধ্যমিক (এসএসসি)*। নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন সত্ত্বেও তাকে এই পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করায় সাধারণ মানুষের ধারণা—রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করেই তাকে বিদ্যালয় পরিচালনার প্রধান পদে বসানো হয়েছে। ফোন ধরেননি অভিযুক্ত জাহিদুল কবির অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত *জাহিদুল কবির ভূঁইয়া*-র ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে (+880 1914-XXXX94) একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য বা মতামত পাওয়া সম্ভব হয়নি।

যা বলছে শিক্ষা অফিস শিক্ষাগত যোগ্যতার আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে *মনোহরদী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জনাব কাইয়ুম সাহেব* (০১৭১-XXXX-৫২) জানান, অ্যাডহক কমিটির সভাপতি মনোনয়নের প্রাথমিক প্রক্রিয়া বা কাগজপত্রের সত্যতা যাচাই তাদের দপ্তর থেকে হয় না।তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "এই কমিটিগুলোর বিষয়ে আমাদের কাছে কিছু আসে না এবং আমরা এগুলো দেখিও না। সভাপতি মনোনয়নের প্রস্তাবটি সংশ্লিষ্ট দপ্তর বা ডিসি অফিস থেকে সুপারিশ আকারে শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হয় এবং বোর্ডই এর চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করে। ফলে উনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ বা শর্ত পূরণের বিষয়টির তদারকিও ডিসি অফিস ও শিক্ষা বোর্ডের এখতিয়ার।"
সরকারি নীতিমালা অমান্য করে এমন নিয়োগের বিষয়ে দ্রুত উচ্চতর তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

দৈনিক পুনরুত্থান /

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন