• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২

Advertise your products here

  1. জাতীয়

শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে রয়েছে স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন হত্যা মামলা


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১:৪৩ এএম;
শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে রয়েছে স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন হত্যা মামলা

সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আটক করে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে রয়েছে রংপুরে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন (৩৮) হত্যা মামলা।

সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে সেখান থেকে নেয়া হয় ডিবি কার্যালয়ে।

এর আগে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট দিনগত রাতে রাজধানীর গুলশান-১ এলাকায় অভিযান চালিয়ে স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন হত্যা মামলায় সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।  ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি আমলি আদালতে শিরীন শারমিনসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেছিলেন রংপুর শহরের পূর্ব গনেশপুর এলাকার নিহত মুসলিম উদ্দিনের স্ত্রী দিলরুবা আক্তার (৩২)। 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সিটি বাজার এলাকায় পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছাত্র-জনতার সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশ এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে মুসলিম উদ্দিন গুলিবিদ্ধ হলে উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে আসামিদের চাপে মরদেহের ময়নাতদন্ত ছাড়াই তড়িঘড়ি করে দাফন করে তার পরিবার। 

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- রংপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম মোহাম্মদ আহসানুল হক চৌধুরী, সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাছিমা জামান, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবদুল মালেক, সাধারণ সম্পাদক আবদুল হক প্রামাণিক, আওয়ামী লীগ নেতা রাশেক রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ছায়াদাত হোসেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শফিয়ার রহমান ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মণ্ডল, রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার জাকির হোসেন, রংপুর রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি আবদুল বাতেন, রংপুর মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান, সাবেক জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান, রংপুরের সাবেক পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) হুসাইন মোহাম্মদ রায়হান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) আবু আশরাফ সিদ্দিকীর নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া আরও অনেককে অজ্ঞাত আসামি করা হয় ওই মামলায়। 

দৈনিক পুনরুত্থান /

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন