হাদি হত্যার নির্দেশদাতা বাপ্পীর অবস্থান জানা গেল, থাকেন পুলিশ পরিচয়ে
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করে ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে তদন্তকারী সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলার তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, ঢাকার মিরপুরের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীর নির্দেশে হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
যুবলীগ নেতা বাপ্পীর সর্বশেষ অবস্থান অনুসন্ধান করেছে দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল। তাদের কলকাতা প্রতিনিধির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কলকাতায় আত্মগোপনে রয়েছে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাজুল ইসলাম বাপ্পী।
সেখানে তিনি পুলিশ পরিচয়ে আছেন। কলকাতার রাজারহাটের ওয়েস্ট বেড়াবেড়ি, মেঠোপাড়া এলাকার ঝনঝন গলির একটি বাড়িতে থাকছেন বাপ্পী।
সেখানের একপি ফ্ল্যাটে তিন মাস ধরে অবস্থান করছেন মিরপুর এলাকার সাবেক এই ওয়ার্ড কাউন্সিলর।
এই মামলা সম্পর্কে গতকাল বিস্তারিত জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত তদন্তে পাওয়া গেছে, হাদি হত্যার নির্দেশদাতা ও পরিকল্পনাকারী পল্লবীর সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী। এরপর যদি আর কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়, তাহলে সম্পূরক চার্জশিট দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে মো. শফিকুল ইসলাম জানান, শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক ধারার সূচনা করেন। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিগত দিনের কার্যকলাপ সম্পর্কে সভা-সমাবেশ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনামূলক জোরালো বত্তৃদ্ধতা করেন। তাঁর বক্তব্যে ছাত্রলীগ ও এর সংগঠনের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হন। তিনি জানান, হাদিকে গুলি করা ফয়সাল করিম মাসুদ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
দৈনিক পুনরুত্থান /
- বিষয়:
- হাদি হত্যা
- পুলিশ
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন
আপনার মতামত লিখুন: