• ঢাকা
  • বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. জাতীয়

আপনি আমার মায়ের ‘ক্রাশ’ ছিলেন, রাজা চার্লসকে ট্রাম্প


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০১:১০ পিএম;
আপনি আমার মায়ের ‘ক্রাশ’ ছিলেন, রাজা চার্লসকে ট্রাম্প

যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লস এবং রানি ক্যামিলা চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। এই সফরের অংশ হিসেবে রাজা চার্লস মার্কিন কংগ্রেসে ভাষণ দেন এবং হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে অংশ নেন।

ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় শাসক হিসেবে তিনি মার্কিন কংগ্রেসে ভাষণ দিলেন। একই অনুষ্ঠানে ট্রাম্পও বক্তব্য দেন।

ভাষণ দিতে গিয়ে ট্রাম্প রসিকতার সুরে বলেন, তার মা ব্রিটিশ রাজা চার্লসের প্রতি বেশ আকৃষ্ট (ক্রাশ) ছিলেন।

তিনি জানান, তার মা রাজপরিবারকে খুব ভালোবাসতেন এবং টিভিতে রানি কোনো অনুষ্ঠানে এলেই মনোযোগ দিয়ে দেখতেন। ট্রাম্প বলেন, তার মা তাকে ডেকে বলতেন, ‘দেখো ডোনাল্ড, দেখো কত সুন্দর।’

তিনি আরো যোগ করেন, তার মা পুরো রাজপরিবারকে ভালোবাসতেন, তবে বিশেষ করে চার্লসকে খুব মিষ্টি মনে করতেন।

শেষে তিনি মজা করে বলেন, ‘আমার মা চার্লসকে খুব পছন্দ করতেন, আপনি কি এটা বিশ্বাস করতে পারেন!’

অনুষ্ঠানে রাজা তৃতীয় চার্লস এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাদের ভাষণে বেশ রসিকতা করেন।

শুরুতেই ট্রাম্প বলেন, ‘আজ কংগ্রেসে চমৎকার ভাষণ দেওয়ার জন্য আমি চার্লসকে অভিনন্দন জানাই। তিনি ডেমোক্র্যাটদের দাঁড় করিয়েছেন, আমি তা কখনোই করতে পারতাম না।’ অন্যদিকে রাজা চার্লসও পাল্টা রসিকতা করেন।

তিনি ইতিহাস টেনে এনে বলেন, ‘দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, ১৮১৪ সালে ব্রিটিশরা হোয়াইট হাউসে আগুন লাগিয়ে পুনর্নির্মাণের চেষ্টা করেছিল।’ তিনি ওয়াশিংটনের আগুন লাগানোর কথা উল্লেখ করেছেন, যখন সেনারা হোয়াইট হাউসে আগুন লাগিয়েছিল।

তিনি আরো বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট আপনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র না থাকলে ইউরোপে সবাই জার্মান ভাষায় কথা বলত। আমি কি বলতে পারি, আমরা না থাকলে আপনারা হয়তো ফরাসি ভাষায় কথা বলতেন!’

ভাষণের শেষে তিনি উইলিয়াম শেকসপিয়ারের একটি উক্তি তুলে ধরেন এবং ট্রাম্পকে চমৎকার নৈশভোজের জন্য ধন্যবাদ জানান। শেষে তিনি রসিকতা করে বলেন, এই নৈশভোজ ‘বোস্টন টি পার্টি’-এর তুলনায় অনেক উন্নত।

’ তিনি সেই ঐতিহাসিক ঘটনার কথা উল্লেখ করেন, যখন আমেরিকার উপনিবেশে বিদ্রোহীরা ব্রিটিশ চা সমুদ্রে ফেলে দিয়েছিল।

দৈনিক পুনরুত্থান /

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন