• ঢাকা
  • রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২

Advertise your products here

  1. জাতীয়

দিল্লিতে শেখ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্য নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৬:৩০ পিএম
দিল্লিতে শেখ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্য নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি

সম্প্রতি ভারতের দিল্লিতে একটি জনসভায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দোষী সাব্যস্ত পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকার বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় ভারত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর না করে সরকার অপসারণ ও নির্বাচন ব্যাহত করার আহ্বান জানানোর অনুমতি দিয়েছে বলে মনে করছে বাংলাদেশ সরকার।

রবিবার (২৫ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত পলাতক শেখ হাসিনাকে গত ২৩ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে একটি জনসভায় বিবৃতি দেওয়ার অনুমতি দেওয়ায় সরকার ও বাংলাদেশের জনগণ বিস্মিত ও উদ্বিগ্ন।

সেখানে তিনি প্রকাশ্যে বাংলাদেশ সরকারকে অপসারণের আহ্বান জানিয়েছেন এবং বাংলাদেশে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনকে ব্যাহত করার জন্য তার দলের অনুগত এবং সাধারণ জনগণকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে স্পষ্ট উসকানি দিয়েছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, বাংলাদেশ সরকারের বারবার অনুরোধের পরও দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তির অধীনে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের জন্য ভারত এখনো কোনো বাধ্যবাধকতা পূরণ করেনি; বরং তাকে ভারতের নিজস্ব ভূমি থেকে এই ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তা স্পষ্টই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং শান্তি ও নিরাপত্তাকে বিপন্ন করে তোলে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভারতের রাজধানীতে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হতে দেওয়া এবং গণহত্যাকারী হাসিনাকে প্রকাশ্যে তার ঘৃণ্য বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেওয়া আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্কের আদর্শের পরিপন্থী, যার মধ্যে সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, হস্তক্ষেপ না করা এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের নীতি অন্তর্ভুক্ত।

তা বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি স্পষ্ট অবমাননা। 

এমন কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যতের জন্য একটি বিপজ্জনক নজির স্থাপন করে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ভবিষ্যতের নির্বাচিত রাজনীতির পারস্পরিক উপকারী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক গঠন এবং লালন-পালনের ক্ষমতাকে তা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের নির্লজ্জ উসকানি আবারও প্রমাণ করেছে যে কেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হয়েছিল। নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনের দিন সহিংসতা ও সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটানোর জন্য বাংলাদেশ এই সংগঠনটিকে দায়ী করবে এবং এর দুষ্ট ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।

দৈনিক পুনরুত্থান /

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন