• ঢাকা
  • রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. জাতীয়

বোয়ালমারীতে পিয়াজের দাম কম হওয়ায় জমি থেকে তুলছেন না কৃষক 


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: রবিবার, ০৩ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১:২০ এএম;
বোয়ালমারীতে পিয়াজের দাম কম হওয়ায় জমি থেকে তুলছেন না কৃষক 

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

 

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রুপাপাত ইউনিয়নের কুমরুল গ্রামে এক কৃষকের পিয়াজ জমিতেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পিয়াজের দাম কম হওয়ায় পিয়াজ তুলবেন না বলে জানিয়েছেন ওই কৃষক আবুল কালাম আজাদ। ওই কৃষকের বাড়ি উপজেলার কমরুল গ্রামে। 

কৃষক আবুল কালাম আজাদ জানান, কুমরুল মাঠে ১৮ শতক জমিতে তিনি ”রঙ্গিলা সেভেন” জাতের পিয়াজের চারা লাগান। পিয়াজের চারা লাগানো থেকে শুরু করে সার ওষুধসহ পিয়াজ তোলার আগ পর্যন্ত তার মোট খরচ হয়েছে ৪০ হাজার টাকা ১৮ শতক জমিতে। 

পিয়াজ তুলতে এক জন শ্রমিকের বেতন এক হাজার থেকে ১২০০ টাকা। 

তিনি আরো বলেন, বাজারে এক মন ভালো মানের পিয়াজের দাম সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা। রঙ্গিলা সেভেন জাতের পিয়াজ বাজারে নিলে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা মন বিক্রি করতে হয়। এতে শ্রমিকের টাকাই হয় না। যার কারনে জমি থেকে তিনি পিয়াজ তুলছেন না। 

তিনি বলেন, পিয়াজের মধ্যে পাট বুনেছেন।

সূর্যোগ বাজারের সার ও কিট নাশক ব্যবসায়ী আহাদ মোল্যা বলেন, পিয়াজের জমিতে প্রচুর সার-ওষুধ দিতে হয়। এক মন পিয়াজের পিছনে ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা খরচ হয়েছে। আর বাজারে এক মন পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা । এ বছর পিয়াজ চাষিরা পিয়াজের দাম কম হওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে। 

তিনি আরো বলেন, রঙ্গিলা সেভেন নামের পিয়াজ বাজারে নিলে কেউ কিনতেই চায় না। যাওবা বিক্রি হয় তা মাত্র ৩ থেকে ৪ শ' টাকা মন। আবুল কালাম আজাদের ১৮ শতক জমির পিয়াজ তুলতে শ্রমিকের যে টাকা খরচ হবে ওই পিয়াজ বিক্রি করলেও শ্রমিকের টাকা হবে না। তাই পিয়াজ তিনি তুলবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভূক্তভোগি কৃষকগণ এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন