• ঢাকা
  • শনিবার, ০১ আগষ্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. জাতীয়

সামাজিক মাধ্যম দূষিত করতে ‘প্রকল্প’ হাতে নিয়েছে কেউ কেউ: তথ্যমন্ত্রী


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: শনিবার, ০১ আগষ্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৪:৪৬ পিএম;
সামাজিক মাধ্যম দূষিত করতে ‘প্রকল্প’ হাতে নিয়েছে কেউ কেউ: তথ্যমন্ত্রী

সরকার যখন একটি গণতান্ত্রিক ও সংসদীয় সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চাইছে, তখন কেউ কেউ সামাজিক মাধ্যমকে দূষিত করতে ‘প্রকল্প’ হাতে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি বলেছেন, পার্লামেন্টের বিষয়কে রাজপথে এনে সামাজিক মাধ্যমে যুদ্ধ বাধানোর এই ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সরকার ভালোভাবেই অবগত।

আজ শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে আমরা যখন গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি চর্চা করতে চাই, জাতীয় সংসদকে যখন কার্যকর করতে চাই, তখন আমরা খেয়াল করছি, পার্লামেন্টের চেয়ে রাজপথই অনেকের বেশি পছন্দ। পার্লামেন্টের ছোটখাটো নাটককে রাজপথে এনে আরও বেশি বাষ্প দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে নানা রকম যুদ্ধে লিপ্ত করার একটা প্রকল্প কেউ কেউ হাতে নিয়েছে।’

তিনি হুঁশিয়ার করে বলেন, এ কথা মনে করার কোনো কারণ নেই, তারেক রহমানের সরকার এই ষড়যন্ত্রের গভীরতা বোঝে না। বুঝি বলেই কিন্তু আমরা দায়িত্বশীল আচরণ করি, অভিভাবকের ভাষায় কথা বলি, আমাদের গঠনমূলক সমাধানের কথা চিন্তা করতে হয়।’

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘প্রতিক্রিয়াধর্মী ও উত্তেজনাকর অশ্লীল বক্তব্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে একটা দূষিত পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে আমরা আমাদের দায়িত্ব বিঘ্নিত করতে পারি না। বিশেষ করে জনগণ যখন আমাদের রাষ্ট্রের অভিভাবকের দায়িত্ব দিয়েছে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হাজার মাইল দূর থেকে তারেক রহমান আন্দোলনের প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন। শুরুতেই তিনি আমাদের সাহস দেওয়ার জন্য স্লোগান তুলেছিলেন—যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ, যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবে তুমি বাংলাদেশ। এই স্লোগান আমাদের অনুপ্রাণিত করেছিল।’

৫ আগস্টের পর নির্বাচন নিয়ে চক্রান্ত হয়েছিল দাবি করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সেদিন জাতীয় নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করতে শুরু করলাম। কিন্তু জনগণের ভোটের ক্ষমতা জনগণকে না দেওয়ার জন্য নানা ধরনের চক্রান্ত হয়েছিল। খুব দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা লক্ষ করেছিলাম, রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচনের বিপক্ষে কথা বলেছিলেন। সেদিনও তারেক রহমান লন্ডনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করে ১২ ফেব্রুয়ারি শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনের তারিখ ঠিক করেছিলেন, সেটাই ছিল একমাত্র সমাধান।’

তিনি বলেন, ‘আন্দোলন করা কারও কারও পেশা হতে পারে, কিন্তু আমাদের জন্য তা ছিল ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক চেতনার মাধ্যমে একটি স্বাধীন, স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার কাজ।’

‘যারা সমস্যা তৈরি করবেন, আমরা তাদের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে সমাধানের চেষ্টা করব। কিন্তু আঙ্গুল যদি বাঁকা করতে হয়, রাষ্ট্রের প্রয়োজনে, দেশের প্রয়োজনে, জাতির প্রয়োজনে, জনগণের প্রয়োজনে সরকারকে কিন্তু অবশ্যই তা করতে হবে। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমরা চেষ্টা করব শান্তিপূর্ণভাবে বিষয়গুলোর সমাধান করতে,’ যোগ করেন তিনি।

দৈনিক পুনরুত্থান / নিজস্ব প্রতিবেদক

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন