• ঢাকা
  • বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২

Advertise your products here

  1. অপরাধ

মহম্মদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি টুটুলের নামে বন বিভাগের গাছের গুঁড়ি আত্মসাতের অভিযোগে মামলা


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৪:০৯ পিএম;
মহম্মদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি টুটুলের নামে বন বিভাগের গাছের গুঁড়ি আত্মসাতের অভিযোগে মামলা

এস এম আলী আজগর আলী, মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি : 

 

মহম্মদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি আজিজুর রহমান  টুটুলের নামে সামাজিক বনায়নের গাছের গুঁড়ি আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হয়েছে। 

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে সামাজিক বনায়নের সংরক্ষিত গাছের গুঁড়ি আত্মসাতের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেছেন  সামাজিক বনায়ন কর্মকর্তা। 

সোমবার (৯ মার্চ ২০২৬) মহম্মদপুর থানায় দায়েরকৃত এজাহার নম্বর ১৫। উক্ত এজাহারে মহম্মদপুর উপজেলার ধোয়াইল পূর্বপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত হাজী লুৎফুর রহমান মৃধা মন্টুর ছেলে আজিজুর রহমান টুটুল (৫৫) কে আসামি করা হয়েছে।মামলার বাদী মাগুরার সামাজিক বনায়ন নার্সারী ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তপনেন্দ্র নাথ সরকার (৫৭)। 

​এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৪ মার্চ ২০২৬ তারিখ বিকেলে ডিউটি শেষে নার্সারির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাড়িতে যান। পরদিন ৫ মার্চ সকালে নার্সারিতে গিয়ে তিনি দেখতে পান, সেখানে সংরক্ষিত থাকা ৭টি শিশু গাছের লগ এবং ১টি মেহগনি গাছের লগ (মোট ৮টি লগ) গায়েব হয়ে গেছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৩০,০০০ টাকা।

​​ঘটনার পর উপজেলা পরিষদের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অভিযুক্ত আজিজুর রহমান টুটুল মোটরসাইকেল যোগে একটি নসিমন গাড়িকে অনুসরণ করে উপজেলা পরিষদে প্রবেশ করছেন। পরবর্তীতে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, ওই নসিমন গাড়িতে করেই গাছগুলো পাচার করা হয়েছে।

​উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (UNO) সহায়তায় গত ৬ মার্চ দুপুরে মহম্মদপুর থানার পুলিশ ও বন বিভাগের কর্মকর্তারা ধোয়াইল বাজারের একটি স-মিলে অভিযান চালায়। সেখান থেকে চুরি হওয়া ৮টি লগের মধ্যে ৭টি (৬টি শিশু গাছ ও ১টি মেহগনি) উদ্ধার করা হয়। স-মিল মালিকের দাবি অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি নসিমন যোগে এই গাছগুলো সেখানে রেখে গিয়েছিলেন। তবে ১টি শিশু গাছের লগ এখনো নিখোঁজ রয়েছে, যার মূল্য প্রায় ৫,০০০ টাকা।

​বাদী তপনেন্দ্র নাথ সরকার জানান, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে কিছুটা বিলম্ব হলেও অপরাধীকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এ বিষয়ে মহম্মদপুর থানা পুলিশ জানায়, এজাহার প্রাপ্তি সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সরকারি সম্পদ চুরির এই ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান ডেস্ক

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন