কর্পোরেট নেতৃত্ব থেকে জনসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত
নজরুল ইসলাম আলীম:
“কর্পোরেট নেতৃত্ব থেকে জনসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত: গলফ এনার্জির জিএম মিজানুর রহমান লিটনের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও মানবিক সমাজ গঠনের আহ্বান”
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসী, বিশেষ করে বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন গলফ এনার্জি লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার এবং নিয়ামতি ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী মহেশপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান লিটন। তার এই শুভেচ্ছা বার্তা শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এতে প্রতিফলিত হয়েছে একটি মানবিক, সাম্যভিত্তিক ও উন্নত সমাজ গঠনের সুদূরপ্রসারী চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গি।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর জন্য কেবল আনন্দের দিন নয়; এটি আত্মশুদ্ধি, ত্যাগ, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক মহিমান্বিত শিক্ষা। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মানুষ আত্মনিয়ন্ত্রণ, ধৈর্য ও আত্মিক উন্নতির যে অনুশীলন করে, ঈদ সেই সাধনারই পরিপূর্ণতা। তিনি মনে করেন, এই চেতনাকে যদি ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে বাস্তবায়ন করা যায়, তবে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও সহানুভূতিশীল সমাজ গঠন করা সম্ভব।
মিজানুর রহমান লিটনের জীবন ও কর্ম বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তিনি কর্পোরেট দায়িত্বের পাশাপাশি সমাজসেবাকে সমান গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৪ নং নিয়ামতি ইউনিয়নের নতুন বাজারে সম্ভ্রান্ত মুসলিম শেখ পরিবারে জন্মগ্রহণ করা এই ব্যক্তিত্ব পারিবারিকভাবে সততা, নৈতিকতা ও জনকল্যাণমূলক মূল্যবোধে গড়ে উঠেছেন। তার পিতা মরহুম শেখ সিরাজুল ইসলাম একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সরকারি কর্মচারী ছিলেন, যার আদর্শ ও জীবনদর্শন লিটনের ব্যক্তিত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।ছাত্রজীবনে মহেশপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি যে সুনাম অর্জন করেছিলেন, পরবর্তীতে সেই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তার নেতৃত্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি শুধু পাঠদানেই নয়, বরং নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে এগিয়ে যাচ্ছে—যা স্থানীয় শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি ইতিবাচক উদাহরণ।কর্পোরেট পর্যায়ে গলফ এনার্জি লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষ নেতৃত্ব, পরিকল্পনা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে তিনি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে অবদান রাখার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখছেন। এই দুই ভিন্ন ক্ষেত্র—কর্পোরেট ও সামাজিক—দক্ষতার সাথে সামাল দেওয়া তার বহুমাত্রিক নেতৃত্বগুণের পরিচয় বহন করে।
ঈদ উপলক্ষে তার বার্তায় বিশেষভাবে উঠে এসেছে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার বিষয়টি। তিনি বলেন, “ঈদের প্রকৃত আনন্দ তখনই পরিপূর্ণ হয়, যখন সমাজের প্রতিটি মানুষ—ধনী-গরিব নির্বিশেষে—এই আনন্দে শামিল হতে পারে।” তিনি সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেন।স্থানীয় পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মিজানুর রহমান লিটন দীর্ঘদিন ধরেই নিজ এলাকার মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়িয়ে আসছেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ, শিক্ষা সহায়তা প্রদান, অসুস্থ ও দুস্থ মানুষের সহযোগিতা—এসব কর্মকাণ্ড তাকে একজন মানবিক সমাজসেবক হিসেবে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সময়ে যখন ব্যক্তিস্বার্থ ও প্রতিযোগিতার প্রবণতা সমাজে ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন মিজানুর রহমান লিটনের মতো ব্যক্তিত্বরা সমাজের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তার মতো কর্পোরেট ব্যক্তিত্বরা যদি সামাজিক দায়বদ্ধতাকে গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে আসেন, তবে দেশের সার্বিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।সবশেষে তিনি দেশ ও জাতির সার্বিক মঙ্গল কামনা করে বলেন, “পবিত্র ঈদুল ফিতরের এই মহিমান্বিত দিনে মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমাদের সকলের জীবনে শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি দান করেন। ঈদ হোক বিভেদ ভুলে একসাথে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা, মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত একটি সুন্দর সমাজ গঠনের অঙ্গীকার।”এইভাবেই পবিত্র ঈদের শুভক্ষণে তার বার্তা শুধু শুভেচ্ছা নয়, বরং একটি দিকনির্দেশনামূলক চিন্তার প্রতিফলন—যা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান ডেস্ক
- বিষয়:
- কর্পোরেট* নেতৃত্ব,থেকেজনসেবা
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন
আপনার মতামত লিখুন: