• ঢাকা
  • বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. অপরাধ

দুমকিতে ৬০ কেজির জায়গায় ৫৫ কেজি ভিজিডির চাল দেওয়ার অভিযোগ


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১:৪৩ এএম;
দুমকিতে ৬০ কেজির জায়গায় ৫৫ কেজি ভিজিডির চাল দেওয়ার অভিযোগ

লিটু পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

 

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নে ভিজিডি কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত ৬০ কেজির পরিবর্তে সুবিধাভোগীদের ৫৫ থেকে ৫৬ কেজি করে চাল দেওয়ার অভিযোগে এলাকায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে জুলাই ও আগস্ট দুই মাসের জন্য ৩৩৫ জন সুবিধাভোগীর মধ্যে চাল বিতরণের কথা ছিল। তবে সরেজমিনে গিয়ে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম চাল দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। পরিদর্শনের সময় সেখানে সরকারি খালি বস্তার স্তূপ দেখা যায়। এ সময় কয়েকজন সুবিধাভোগীর চাল মেপে ৫৫ থেকে ৫৬ কেজি পাওয়া যায়।

নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম চাল দেওয়া হচ্ছে কেন—এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্টরা সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি। তারা বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।সুবিধাভোগীদের অভিযোগ, সরকারি ৫০ কেজির বস্তা খুলে নিজস্ব বস্তায় চাল নিতে বাধ্য করা হয়। পরে বালতি দিয়ে চাল মাপার কারণে ৪ থেকে ৬ কেজি পর্যন্ত কম পড়ছে। এ ছাড়া ট্যাগ কর্মকর্তার উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। অভিযোগ রয়েছে, ট্যাগ কর্মকর্তা উপস্থিতি দেখিয়ে বাইরে ছিলেন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর তিনি সেখানে আসেন।

সুবিধাভোগী রুজিনা, কোহিনুর, সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি, রাহিমা বেগম, কাকলি বেগম, ফাতিমা বেগম, খাদিজা আক্তার, মরিয়ম বেগম ও বিউটি বেগমসহ অনেকে জানান, তারা নিয়মিতই কম পরিমাণে চাল পাচ্ছেন। কয়েকজনকে সামনে সঠিক পরিমাণে চাল দেওয়া হলেও পরে আবার কম দেওয়া শুরু হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।

তবে চাল কম দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লেবুখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, ‘চাল কম দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। সবকিছু নিয়ম অনুযায়ী হয়েছে।’

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেন বলেন, ‘আমি আসার আগে কী হয়েছে, তা জানি না। তবে আমি আসার পর কম দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি।’ বাইরে চাল মাপার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বাইরের মাপ আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। সেখানে কমবেশি হতে পারে।’

এ ঘটনায় স্থানীয় সুবিধাভোগীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন