হিসাবি খরচেও অর্থনীতিতে গতি
ঈদের কেনাকাটা
হিসাবি খরচেও অর্থনীতিতে গতি
- ঈদ বাজারের আকার প্রায় ২ লাখ কোটি টাকার
- পোশাক খাতেই ব্যয় ১ লাখ কোটি
- কেনাকাটার শীর্ষে পোশাক-পরিচ্ছদ
- কার্ডভিত্তিক লেনদেন বেড়েছে ১৫-২০%
- ই-কমার্স কার্যক্রম বৃদ্ধি ৪০-৫০%
ঈদে সব স্তরের মানুষই কমবেশি কেনাকাটা করে। ঈদুল ফিতর ঘিরে দেশের বাজারে কেনাকাটার উৎসব চললেও এবার ক্রেতাদের মধ্যে এক ধরনের সতর্কতা ও হিসাবি মনোভাব দেখা যাচ্ছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট এবং জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকটের প্রভাবে পোশাক ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের বাইরে বাড়তি খরচ কমিয়ে দিয়েছে অনেকে। অন্যদিকে কেনাকাটায় ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
তবে স্থবির অর্থনীতিতে ‘হিসাবি’ কেনাকাটায় কিছুটা গতিসঞ্চার করেছে।
আশার কথা হলো, প্রতিবছর তৃণমূলে ঈদের আনন্দে বাড়তি উৎসাহ জোগানো প্রবাসীদের আয়ে এবারও ঘাটতি হয়নি। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের মধ্যেও প্রবাসীরা পরিবারের কাছে টাকা পাঠিয়েছেন। মার্চের প্রথম ১৪ দিনেই দেশে এসেছে ২২০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫.৭ শতাংশ বেশি।
চলতি মাসে গড়ে প্রতিদিন ১৫.৭৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স আসছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির তুলনায় রেমিট্যান্স বেড়েছে ১০০ কোটি ডলার। বছরের ব্যবধানে প্রবাস আয় বেড়েছে প্রায় ৩৬ শতাংশ।
বাজারের চিত্র ও ক্রেতাদের মনোভাব : ঈদ মানেই বিপুল অর্থের লেনদেন।
খাতসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সাধারণত ঈদকে কেন্দ্র করে সারা দেশে দুই লাখ কোটি টাকার বেশি বাজার তৈরি হয়। অর্থনীতি বিশ্লেষক ও ফিন্যানশিয়াল এক্সিলেন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মামুন রশীদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘২০১১ সালে ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের পক্ষ থেকে রোজা ও ফিতরের অর্থনীতি নিয়ে একটি সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। তখনই এর আকার ছিল প্রায় ৫৫ হাজার কোটি টাকার। বর্তমানে তা প্রায় দুই লাখ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে প্রায় এক লাখ কোটি টাকাই ব্যয় হয় কাপড়চোপড় কেনাকাটায়, বাকিটা বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী ও কনজিউমার ইলেকট্রনিক পণ্যসহ বিভিন্ন ব্যবহার্য জিনিসপত্রে।
এর সঙ্গে রয়েছে যাতায়াত, জাকাত আর বকশিশের ব্যয়। এর মধ্যে বেশির ভাগ কেনাকাটাই হয় নগদে, যদিও ক্রেডিট কার্ডে লেনদেন ধীরে ধীরে বাড়ছে। রোজার ঈদ তাই বাংলাদেশের প্রধান উৎসবে পরিণত হয়েছে। যদিও ক্রীত পণ্যের অনেকটাই বিদেশ থেকে আমদানি করা, তবে ক্রমাগত দেশি পণ্যের কদর ও বিক্রি বাড়ছে। ঈদের অর্থনীতি ক্রমাগত বড় হচ্ছে। তবে স্থানীয় পণ্যের ব্যবহার আরো বাড়া উচিত।’
রাজধানীর নিউমার্কেট, গাউছিয়া, ফার্মগেটসহ বিভিন্ন শপিং মল ও ফুটপাতে ঈদ উপলক্ষে চলছে শেষ মুহূর্তের বেচাকেনা। সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি পোশাকের পাশাপাশি পাকিস্তানি ও ভারতীয় থ্রি-পিসের চাহিদা তুঙ্গে। পুরুষদের মধ্যে রঙিন পাঞ্জাবি ও শার্টের বিক্রি ভালো। পোশাক ছাড়াও ফ্রিজ, টিভি, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, স্মার্ট ওয়াচ, স্মার্টফোন, ইয়ারবাডসের মতো ইলেকট্রনিক পণ্যের চাহিদাও বেড়েছে।
রাজধানীর নিউমার্কেটের পোশাক ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম জানান, গত বছরের তুলনায় এবার দাম কিছুটা বেশি। ক্রেতারাও সেটা বুঝতে পারছে। ফলে তারা কেনাকাটায় কিছুটা সতর্ক।
শাহবাগের একটি বিপণিবিতানে কথা হলো মিরপুরের বাসিন্দা জাহিদ হাসানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমার দুই ছেলে আছে। ওদের জন্য পাঞ্জাবি কিনেছি। মা-বাবা ও স্ত্রীর জন্য পোশাক কিনেছি।’
ডিজিটাল লেনদেনে অভূতপূর্ব প্রবৃদ্ধি
একাধিক মার্চেন্ট ব্যাংক ও মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানের তথ্য মতে, এবারের ঈদে নগদ লেনদেনের তুলনায় ক্যাশলেস পেমেন্টের প্রবণতা বেড়েছে। সাধারণত ঈদে মোট লেনদেনের ৭৫ শতাংশ হয় নগদে, বাকিটা কার্ড, এমএফএসসহ বিভিন্ন মাধ্যমে। তবে এবার বিকাশ, নগদ, রকেটের মতো এমএফএস ও ব্যাংক কার্ডের মাধ্যমে লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, সারা দেশে ব্যাংকগুলোর বর্তমানে ১২ হাজার ৭১৩টি এটিএম বুথ এবং আট হাজার ৪৮৩টি সিআরএম রয়েছে। পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) রয়েছে এক লাখ ৪২ হাজার ৭৭৩টি। ব্যাংকগুলো এখন পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কোটি কার্ড ইস্যু করেছে। টানা সাত দিন ব্যাংক বন্ধ থাকলেও এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখা, পিওএস, কিউআর কোড, ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও এমএফএস সেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সব ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
কার্ডভিত্তিক লেনদেনে চাঙ্গাভাব
মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এবারের ঈদ ঘিরে কেনাকাটার প্রবণতা গত বছরের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে বলে মনে হচ্ছে। গত বছর অনেক ভোক্তা কেনাকাটায় সংযমী ছিল। তবে এবার পরিস্থিতি তুলনামূলক স্থিতিশীল হওয়ায় মানুষ উৎসব সামনে রেখে প্রয়োজনীয় কেনাকাটা করছে। যদিও বৈশ্বিক বাজারে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে কিছু উদ্বেগ রয়েছে, তার পরও উৎসবকেন্দ্রিক ব্যয় স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে।’
তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসে কর্মদিবস কম থাকায় এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচন থাকায় কেনাকাটা তুলনামূলক কম ছিল। তবে মার্চ মাসে লেনদেনের প্রবণতা বেড়েছে। ঈদের আগে তুলনামূলক দীর্ঘ সময় পাওয়ায় ক্রেতারা ধীরেসুস্থে কেনাকাটা করতে পারছে। বাজার, শপিং মল ও রোডসাইড দোকানে উপচে পড়া ভিড়ও তারই প্রতিফলন।
তিনি আরো বলেন, এই সময়ে কার্ড ব্যবহারে উৎসাহ দিতে মাস্টারকার্ড বিভিন্ন অফার চালু করেছে, যার সাড়াও ভালো পাওয়া যাচ্ছে। সম্প্রতি ‘রমজান ও ঈদ ক্যাম্পেইন, উৎসব আনন্দে পেমেন্ট এক ট্যাপে’ শীর্ষক উদ্যোগ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি ৫০টি লাইফস্টাইল ব্র্যান্ডে সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়, প্রায় ৫০টি পার্টনার রেস্টুরেন্টে ইফতার ও ডিনারে ‘বাই ওয়ান গেট আপ টু ৪’ অফার এবং আন্তর্জাতিক ট্রাভেল প্যাকেজে সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়সহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে উৎসবকালীন বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে মাস্টারকার্ড।
সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশে ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর একটি বড় মৌসুমি অর্থনীতি তৈরি হয়, যেখানে পোশাক, খাদ্য, ভ্রমণ, ইলেকট্রনিক পণ্যসহ নানা খাতে লেনদেন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহারের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে এই উৎসব অর্থনীতিতে কার্ড ও অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমের অংশগ্রহণও দ্রুত বাড়ছে।’
ভিসার বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান অঞ্চলের কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘রমজান ও ঈদুল ফিতর শুধু আত্মসংযম ও আত্মবিশ্লেষণের সময় নয়, বরং এটি দেশের সবচেয়ে বড় কেনাকাটার মৌসুমও। প্রতিবছর এই উৎসবকে কেন্দ্র করে জাতীয় অর্থনীতিতে আনুমানিক ১.৫ ট্রিলিয়ন টাকার লেনদেন হয়, যার বড় একটি অংশ ঢাকাকেন্দ্রিক।’
তিনি জানান, এবারের ঈদে কার্ডভিত্তিক লেনদেন গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বেড়েছে। সামগ্রিক কেনাকাটাও ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও মোট লেনদেনের বড় অংশ এখনো নগদে, ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ; তবে কার্ড ও ডিজিটাল পেমেন্টের অংশ বেড়ে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশে পৌঁছেছে।
সাব্বির আহমেদ আরো বলেন, রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যয় প্রবণতাও বাড়ে, যার প্রভাব পড়ে ডিজিটাল লেনদেনে। এ সময়ে ই-কমার্স কার্যক্রম সাধারণত ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়, কারণ ক্রেতারা নিরাপদ ও সহজ পেমেন্ট পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছে। বর্তমানে ক্রেতারা সরাসরি দোকানে যাওয়ার পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও কেনাকাটা করছে। আর সে ক্ষেত্রে কার্ডের মাধ্যমে দৈনন্দিন বাজার, পোশাক, ইলেকট্রনিক পণ্য, ট্রাভেল বুকিং ইত্যাদি সব ক্ষেত্রেই দ্রুত, নিরাপদ ও সুবিধাজনক লেনদেন করছে।
বেড়েছে এমএফএস লেনদেন
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটি ৪৯ লাখ ৪৩ হাজার ৩৯১। একই মাসে মোট লেনদেন হয়েছে এক লাখ ৭২ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা, যা এ খাতে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এর আগে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছিল ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে, তখন লেনদেনের পরিমাণ ছিল এক লাখ ৭১ হাজার ৬৬৪ কোটি টাকা।
দেশের সবচেয়ে বড় এমএফএস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের হেড অব করপোরেট কমিউনিকেশন অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এমএফএস সেবার দ্রুত বিস্তার ঘটছে। বিকাশের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের ডিজিটাল লেনদেনের সুযোগ সহজ করে দিয়েছে, ফলে মানুষ ঘরে বসেই মোবাইলের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের আর্থিক লেনদেন করতে পারছে। রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই লেনদেন বাড়ে, এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ঈদ ঘিরে মানুষ সাধারণত প্রিয়জনের জন্য বেশি ব্যয় করে থাকে। এ ধরনের বড় উৎসবকে কেন্দ্র করে বেতন-বোনাস, প্রবাস আয়, ঈদের কেনাকাটা, রেস্টুরেন্টে খাওয়া, ভ্রমণ, দান-অনুদানসহ নানা ধরনের লেনদেনে গতি আসে।’
খুচরা বিক্রেতারাও সন্তুষ্ট
দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর, পবিত্র ঈদুল আজহা ও পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যের কেনাবেচা বাড়ে। দেশীয় পোশাক ব্র্যান্ড অঞ্জনসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন আহম্মেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গত বছর বিক্রি কিছুটা কম ছিল। তবে এ বছর বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি বেড়েছে। গত বছরের তুলনায় ফ্যাশন হাউসগুলোর আউটলেট ও বিক্রেতার সংখ্যা বাড়ায় মোট বিক্রিও বৃদ্ধি পেয়েছে।’
তিনি জানান, সপ্তাহের শেষের দিনগুলোতে বাজারে বেশি ভিড় দেখা গেছে এবং আগামী দু-তিন দিনে বিক্রি আরো বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে নির্বাচিত সরকারের অধীনে অর্থনীতির স্থবিরতা কাটতে কিছুটা সময় লাগবে।
লেনদেন দুই লাখ কোটি টাকা ছাড়াবে : দোকান মালিক সমিতি
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ জহিরুল হক ভূঁইয়া কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘রমজান শুরু হওয়ার পরপরই সাধারণত ঈদের কেনাকাটা শুরু হয়। তবে এবার রোজা শুরু হয়েছে ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে, যখন অনেকের হাতেই নগদ অর্থ কম থাকে। তবু সরকার পরিবর্তনের পর মানুষের মধ্যে দুশ্চিন্তা কিছুটা কমায় অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে—এমন আশাবাদ তৈরি হয়েছিল।’
তিনি বলেন, সেই আশাবাদ থেকেই এ বছর ঈদে কেনাকাটা দুই লাখ কোটি টাকা ছাড়াবে বলে প্রত্যাশা করা হয়েছিল, যেখানে গত বছর বিক্রি ছিল প্রায় এক লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু ইরান ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাত এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় জ্বালানি সরবরাহে সংকট তৈরি হওয়ায় কেনাকাটার গতি কিছুটা থমকে গেছে। পাম্পে জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাও বিঘ্নিত হয়েছে। মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ায় কেনাকাটার উৎসাহ কমেছে। তবে ঈদের আগে এখনো দু-তিন দিন বাকি থাকায় শেষ সময়ে বিক্রি ঘুরে দাঁড়াতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান ডেস্ক
- বিষয়:
- ঈদের* কেনাকাটা,হিসাবি
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন
আপনার মতামত লিখুন: