মাদক ও অনলাইন জুয়ার নেশায় ধ্বংসের পথে তরুণ সমাজ
পরিবার, সমাজ এবং ভবিষ্যৎ—সবকিছুই ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যদিও অনেক সময় স্থানীয়ভাবে মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে সোপর্দ করা হয়, কিন্তু কিছুদিন পর তারা আবার জামিনে বা আইনি প্রক্রিয়ার ফাঁকফোকর ব্যবহার করে বেরিয়ে এসে একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগও শোনা যায়।
ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা ও আস্থাহীনতা তৈরি হচ্ছে। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, মাদক ও জুয়ার বিস্তার এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে অনেক এলাকায় মানুষ ভয় বা নিরাপত্তাহীনতার কারণে প্রকাশ্যে কথা বলতেও সাহস পায় না। অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে সহজেই তরুণরা আসক্ত হয়ে পড়ছে, যা তাদের পড়াশোনা, কর্মজীবন ও পারিবারিক জীবনে ধ্বংস ডেকে আনছে।
এই পরিস্থিতিতে শুধু ব্যক্তি পর্যায়ে আটক বা সাময়িক ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন কঠোর, দীর্ঘমেয়াদি এবং কার্যকর আইন প্রয়োগ, পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি। অপরাধীদের দ্রুত পুনরায় সক্রিয় হয়ে ওঠার সুযোগ বন্ধ করতে না পারলে এই সমস্যা আরও বিস্তৃত হবে। তাই প্রশাসন, রাজনৈতিক অঙ্গন এবং সমাজের সবাইকে একসঙ্গে দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসা জরুরি, নইলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরও বড় সংকটের মুখে পড়বে।
মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিষয়ে বরগুনা জেলা প্রশাসক মিজ তাসলিমা আক্তার বলেন,বর্তমান সময়ে মাদক এবং অনলাইন জুয়া ক্যান্সারের চেয়েও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে।বরগুনা জেলা পুলিশ এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। মাদক ও অনলাইন জুয়া রোধ করতে হলে জনগণের সচেতনতা খুবই জরুরী। অভিভাবকদেরকে সচেতন হতে হবে। ছেলেমেয়েরা কখন কোথায় যায় সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি রাখতে হবে। মাদক এবং অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে বরগুনা জেলার পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা হয়েছে।
দৈনিক পুনরুত্থান /
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন
আপনার মতামত লিখুন: