• ঢাকা
  • সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. জাতীয়

আমার স্বামীর মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যা করে পুলিশ ও বিজিবি


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: সোমবার, ০৫ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০:১৯ পিএম;
আমার স্বামীর মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যা করে পুলিশ ও বিজিবি

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা তার স্বামী আমির হোসেনের মাথায় গুলি করে হত্যা করেছেন বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন নিহতের স্ত্রী।

সোমবার (৫ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে সাক্ষীর নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে রাজধানীর রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিজিবির কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামসহ চার আসামির বিরুদ্ধে ১৪ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন আমির হোসেনের স্ত্রী।

জবানবন্দিতে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই জুমার নামাজের জন্য বাসা থেকে বের হন তার স্বামী। নামাজের পর তিনি আন্দোলনে যোগ দেন। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হাসান নামে এক ব্যক্তি তার বাড়িওয়ালাকে ফোন করে জানান, আমির রামপুরার একরামুন্নেছা স্কুলের সামনে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

তিনি বলেন, খবর পেয়ে তার বাবা ও ভাই রামপুরার বেটার লাইফ হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হন। এর আগেই স্থানীয় লোকজন আমিরকে বাসায় নিয়ে আসেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে সড়কেই তার মৃত্যু হয়।

নিহতের স্ত্রী বলেন, ‘আমার স্বামীকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পাই। একটি গুলি তার মাথার পেছন দিক দিয়ে ঢুকে চোয়াল দিয়ে বেরিয়ে গেছে বলে শুনেছি। পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা তাকে গুলি করেন। এর মধ্যে বিজিবির রেদোয়ান ও রাফাত এবং পুলিশ কর্মকর্তা মশিউর রহমান ও রাশেদুল ছিলেন। আমি আমার স্বামীর হত্যার সঠিক বিচার চাই।’

এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ঢাকার সেনানিবাসের সাব-জেলে আছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো. রাফাত বিন আলম।

পলাতক আসামিরা হলেন ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রামপুরায় ২৮ জন নিহত হন এবং আহত হন অনেকে। এ ঘটনায় তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদন পাওয়ার পর চারজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মামুনুর রশিদ। তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মার্জিনা রায়হান, মঈনুল করিমসহ অন্য প্রসিকিউটররা।

দৈনিক পুনরুত্থান /

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন