• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. জাতীয়

এবার পালানোর মামলায় আদালত থেকে পালালেন খুনের আসামি শরিফুল


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৯:০৪ পিএম;
এবার পালানোর মামলায় আদালত থেকে পালালেন খুনের আসামি শরিফুল

ঢাকার আদালত থেকে আবার পালালেন হত্যা মামলার আসামি শরিফুল ইসলাম। আগেরবার পালানোর ঘটনায় রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। সেই মামলায় আজ মঙ্গলবার তাঁকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে হাজির করা হয়। তিনি একপর্যায়ে আদালতককক্ষ থেকে পালিয়ে যান।

আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আদালতককক্ষ থেকে শরিফুল ‘কৌশলে’ পালিয়ে যান বলে প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের ডিসি মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, কোতোয়ালি থানার মামলায় আসামি শরিফুলকে আজ কারাগার থেকে আদালতে হাজিরা করা হয়। আদালতককক্ষ থেকে তিনি কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান। তিনি এর আগে একবার ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালিয়েছিলেন। সেই ঘটনায় করা মামলায় আজ তাঁকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করলে তিনি পালান।

আদালত সূত্র জানায়, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে আজ এ মামলার শুনানি ছিল। আসামি শরিফুলের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন কনস্টেবল আবদুল আলিম।

ডিএমপি প্রসিকিউশন বিভাগের ডিসি মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল প্রথম আলোকে বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় তদন্ত হবে। মামলা হবে। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আদালত ও পুলিশ সূত্র জানায়, শরিফুলের বাড়ি দিনাজপুরে। বাবার নাম শফিক আহমেদ। তাঁর বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা আছে।

খিলগাঁও থানার হত্যা মামলায় শরিফুল কারাগারে ছিলেন। এ মামলায় ২০২৫ সালের ১৯ জুন তাঁকে কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়েছিল। সেদিন তিনি পুলিশের এক সদস্যকে কামড় দিয়ে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালিয়েছিলেন।

ঘটনার পর পুলিশ জানিয়েছিল, ২০১৮ সালে শরিফুলের বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলাটি হয়েছিল। এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি ছয় বছর ধরে কারাগারে ছিলেন।

২০২৫ সালের ১৯ জুন পালানোর ঘটনায় সেদিনই কোতোয়ালি থানায় শরিফুলের বিরুদ্ধে মামলা হয়। একই বছরের ১ অক্টোবর ফেনী থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর পর থেকে তিনি আবার কারাগারে ছিলেন।

দৈনিক পুনরুত্থান /

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন