• ঢাকা
  • রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

Advertise your products here

  1. সারাদেশ

পেকুয়া সরকারি বন ও পাহাড় রক্ষা করতে কঠোর বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা-হাবিবুল হক


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১০:৫১ পিএম
পেকুয়া সরকারি বন ও পাহাড় রক্ষা করতে কঠোর বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা-হাবিবুল হক
ফাইল ফুটেজ

চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা হাবিবুল হক পাহাড় খেকো, বালু খেকো ও গাছ কেটে অবৈধভাবে পাচার কারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলা বারবাকিয়া রেঞ্জ।

এ রেঞ্জের অধীনে টইটং বিট, পহর চাঁদা বিট ও বারবাকিয়া বিটের সরকারি সংরক্ষিত  বনের পাহাড়ি এলাকা সমুহ এর দায়িত্বরত বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা হাবিবুল হক। দুই বছর পূর্বে রেঞ্জ কর্মকর্তা হিসেবে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের বারবাকিয়া রেঞ্জে যোগদান করেন মো: হাবিবুর হক। তিনি যোগদান করার পর থেকে সংরক্ষিত পাহাড় খেকো ও গাছ পাচারকারী চক্রগুলো দিশাহারা হয়ে পড়েন। বন্ধ হয়ে যায় সরকারি সংরক্ষিত পাহাড়ে অবৈধ সকল কার্যক্রম। বন্ধ হয়ে যায় পাহাড় কেটে বাড়ি নির্মাণ, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও গর্জন, তেলসুর সহ বিভিন্ন মুল্যবান গাছ কেটে পাচার করা।

পেকুয়ার একজন সচেতন নাগরিক মফিজুর রহমান জানান-বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা হাবিবুল হক আসার পর থেকেই পেকুয়ার কিছু প্রভাবশালী ব্যাক্তি সংরক্ষিত বনের ভিতর এ সকল সুযোগ সুবিধা না পাওয়ায় রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে তাকে বদলির জন্য। রেঞ্জ অফিসার অত্যন্ত একজন ভালো মানুষ, তাঁকে অবৈধ কাজে জড়িত করতে না পারার কারণেই  তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন কিছু লোকজন।

বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মো:হাবিবুল হক প্রতিবেদককে জানিয়েছেন- তিনি বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা হিসাবে যোগদানের পর থেকে সংরক্ষিত পাহাড় ও বনে সকল অবৈধ কাজ কর্মকান্ড বন্ধ করতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন।-রেঞ্জ কর্মকর্তা বলেন তিনি আসার পর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত সংরক্ষিত বন বিভাগের বিভিন্ন বিভিন্ন অপরাধে মোট ১৩০ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে, এর বিপরীতে ৩৮ টি গাড়ি জব্দ ও ৯০ জন বন ও পাহাড় খেকো বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যাক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।  বনের বিভিন্ন প্রজাতির আনুমানিক ৪ হাজার ৫ শত ঘন ফুট  গাছ জব্দ ও আনুমানিক ৫ লক্ষ ঘন ফুট বালু জব্দ রয়েছে সংরক্ষিত পাহাড়ে।

বন কর্মকর্তা আরো জানান- সম্প্রতি কিছু পাহাড় খেকো,গাছ পাচারকারী ও বালু খেকো ব্যাক্তি সংরক্ষিত পাহাড় ও বনে সুযোগ সুবিধা করতে না পারায় তাঁরা সিন্ডিকেট করে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।  এমন কি বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা সাজানো কাল্পনিক সংবাদ প্রচার করে আমাকে বদলির পায়তারা চালানো হলেও আমি যতদিন বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত আছি ততক্ষণ পর্যন্ত সরকারি বনবিভাগের নিয়মের বাইরে অবৈধভাবে কোন কার্যক্রম চলতে দেব না। পাহাড় খেকো, গাছ খেকো, বালু খেকো সিন্ডিকেট বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান বন কর্মকর্তা । 

দৈনিক পুনরুত্থান / স্টাফ রিপোর্টার

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন