• ঢাকা
  • বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. জাতীয়

বেতাগীতে মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ,থানায় মামলা


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৪:৫৭ পিএম;
বেতাগীতে মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ,থানায় মামলা

হাফিজ খান, বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ

বরগুনার বেতাগীতে ধূমপানের ধোঁয়া ছাড়তে নিষেধ করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে সালাউদ্দিন, রাকিব ও শাহআলম নামে তিন যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন।

আহত সালাউদ্দিনের দাঁত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে পরিবারের দাবি। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টার দিকে বেতাগী সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট ঝোপখালী গ্রামে খানবাড়ির সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার সময় সালাউদ্দিন ও তাঁর কয়েকজন বন্ধু খানবাড়ির সামনে সড়কের পাশে একটি বেঞ্চে বসে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছিলেন। এ সময় জিসান ও বিল্লাল সিগারেট খেতে খেতে সেখানে এসে তাঁদের দিকে ধোঁয়া ছাড়েন। সালাউদ্দিন এর প্রতিবাদ করলে তাঁরা তাঁকে মারধর করেন।

একপর্যায়ে বেঞ্চের ওপর তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। এতে তাঁর মুখে গুরুতর জখম হয় এবং দাঁত ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় সালাউদ্দিনের সঙ্গে থাকা শাওন, হাসান ও সিয়াম ঘটনাস্থল থেকে সরে গিয়ে তাঁদের অভিভাবকদের খবর দেন। পরে আহতদের স্বজনেরা ঘটনাস্থলের দিকে আসার পথে বাড়ির সামনের মসজিদের পেছনে পুনরায় হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, জিসান, বিল্লাল, স্বাধীন, রাফিন ও আনান জিআই পাইপ ও ক্রিকেট খেলার স্টাম্প দিয়ে মারধর করেন। এতে রাকিব ও শাহআলম গুরুতর আহত হন। এ সময় সালাউদ্দিনের মা সোনিয়া বেগমকেও মারধর এবং তাঁর পরনের কাপড় টেনে শ্লীলতাহানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে আহত সালাউদ্দিন, রাকিব ও শাহআলমকে বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তাঁদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরিবারের দাবি, সেখানে চিকিৎসকেরা সালাউদ্দিনের দাঁত নিয়ে গুরুতর চিকিৎসাগত জটিলতার কথা জানান।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সালাউদ্দিনের বাবা মোঃ নাসির উদ্দিন খান বেতাগী থানায় মামলা করেন। মামলার এজাহারে জিসানকে ১ নম্বর বিল্লাল ২ নম্বর স্বাধীন ৩ নম্বর রাফিন ৪ নম্বর ও আনানকে ৫ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। গত ১৩ অক্টোবর দিবাগত রাত ২টার দিকে বেতাগী থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১ নম্বর আসামি জিসান ও ৪ নম্বর আসামি রাফিনকে তাঁদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

দৈনিক পুনরুত্থান /

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন