• ঢাকা
  • বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. শিক্ষা

স্কুলে অফিস রুমে শিক্ষক-শিক্ষিকার মারামারির; ভিডিও ভাইরাল 


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০২:৪১ এএম;
স্কুলে অফিস রুমে শিক্ষক-শিক্ষিকার মারামারির; ভিডিও ভাইরাল 

পুনরুত্থান ডেস্ক :

 

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে দুই শিক্ষকের ধস্তাধস্তি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে।ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।  
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ২০২৬) সন্ধ্যার পর ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে আলোচনা–সমালোচনা ঝড় উঠেছে ।

ঘটনাটি ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন ও সহকারী শিক্ষক আসমা বেগমের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

পরে জানা গেছে, মারামারিতে জড়ানো দু'জন শিক্ষক  সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। পারিবারিক বিরোধের জেরে ১০ থেকে ১২ দিন আগে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।

আফজাল হোসেন ও আসমা বেগমের শিক্ষক দম্পতির বিয়ে হয় ২০০৪ সালে। তাঁদের সংসারে একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। তিনি উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বনিবনা না হওয়ায় প্রায় ১৪ বছর ধরে স্বামী-স্ত্রী আলাদা থাকেন। দু'জনের মধ্যে মামলাও চলছে আদালতে। তাঁরা দুজনই ২০১১ সালের দিকে বিদ্যালয়টিতে যোগ দেন বলে জানা গেছে।

প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন বলেন, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। মাঝেমধ্যে সেই বিরোধ বিদ্যালয় পর্যন্ত গড়ায়। ঘটনার দিনও এমন বিরোধের জেরে মারামারি হয়। তিনিই সহকর্মী শিক্ষকদের দিয়ে ভিডিও ধারণ করান। তিনি আরও বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ১০ থেকে ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে দূরত্ব রয়েছে। তবে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি। পারিবারিক বিরোধের জেরে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

বিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটানো ঠিক হয়নি বলে স্বীকার করেন আফজাল হোসেন। তিনি বলেন, আগে আরও দু-তিনবার বিদ্যালয়ে তাঁদের মধ্যে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল।

সহকারী শিক্ষক আসমা বেগমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে পাঁচজন শিক্ষক কর্মরত। শিক্ষার্থী রয়েছে ৯০ জনের বেশি।

ফুলবাড়িয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, ঘটনাটি ১০ থেকে ১২ দিন আগের। তবে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তাঁদের নজরে এসেছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরও বলেন, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বুধবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হবে। বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের এমন আচরণ কাম্য নয়।

দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন