পটুয়াখালী বাউফলের সাবেক পৌর মেয়র জিয়াউল হকসহ ১৪ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড
পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:
রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাউফল পৌরসভার সাবেক মেয়র জিয়াউল হকসহ ১৪ আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন।
গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) রিমান্ড শুনানির নির্ধারিত দিনে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন তাঁদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী শামীম আল সাইফুল সোহাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে বনানীর একটি ফিটনেস জিম থেকে নিকুঞ্জ এলাকার বাসায় ফেরার পথে জিয়াউল হককে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে ১ অক্টোবর গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
রিমান্ডে নেওয়া অপর আসামিরা হলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীমউদ্দীন হল শাখার সাবেক সভাপতি শাহ্ মোস্তফা আলমগীর, মেজবাহ উদ্দিন, তরিকুল ইসলাম টুটুল, জুলহাস মণ্ডল সাকি, আরিফুল ইসলাম, সিজান, রুহুল আমিন ফারাজি, রায়হান পারভেজ রুবেল, হারুন বাসার, বাবু শেখ, মো. খলিল, ফরিদ আহম্মদ কাঞ্চন ও শেখ শহিদুল ইসলাম বাবু সরদার।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে গুলশান-১ এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ঝটিকা মিছিল করেন। পুলিশ তাঁদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলে মিছিল থেকে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্যে মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে এই ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া মামলার আরও কয়েকজন আসামিকে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন
আপনার মতামত লিখুন: