• ঢাকা
  • রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. জাতীয়

সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র পাননি, পুনঃতদন্তের দাবি পরিবারের


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৫:১৩ পিএম;
সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র পাননি, পুনঃতদন্তের দাবি পরিবারের

পটুয়াখালী প্রতিনিধি:

 

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে মো. সোহান ইসলাম বিজয়ের ক্ষেত্রে। 

পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রতিবেদনে নেতিবাচক তথ্যের কারণে তার নিয়োগ আটকে গেছে বলে দাবি করেছেন তিনি। 

তবে ভেরিফিকেশনে ঠিক কী কারণে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে পারেননি বলে জানিয়েছেন সোহান।

ভুক্তভোগী সোহান ইসলাম বিজয় রাঙ্গাবালী উপজেলার মৌডুবী ইউনিয়নের ১১ নম্বর আশাবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা মো. বশির গাজী। তিনি ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী। তার নিয়োগ পরীক্ষার রোল নম্বর ৬৮১৫০৯৮।

সোহান জানান, গত ২৪ সেপ্টেম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগপত্র প্রকাশ করা হয়। পটুয়াখালী জেলায় ৩৪৪ জনের চূড়ান্ত তালিকায় তার রোল নম্বরও রয়েছে। এমনকি টেলিটক থেকেও তাকে সুপারিশপ্রাপ্ত হিসেবে এসএমএস দেওয়া হয়। কিন্তু রাঙ্গাবালী উপজেলায় সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে একমাত্র তার নিয়োগপত্র আসেনি বলে দাবি করেন তিনি।

এরপর বিষয়টি জানতে তিনি অধিদপ্তর ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করেন। তবে তার নিয়োগ আটকে যাওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে পারেননি বলে জানান সোহান।

এ ঘটনায় হতাশ হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন পোস্ট দেন তিনি। সেখানে সোহান দাবি করেন, তার নামে কোনো মামলা নেই, স্থায়ী ঠিকানা ও শিক্ষাগত সনদে কোনো সমস্যা নেই। তিনি বা তার পরিবারের কেউ কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন বলেও উল্লেখ করেন। পাশাপাশি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো অসদুপায় অবলম্বন করেননি এবং মেডিকেল পরীক্ষাতেও কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি বলে দাবি তার।

ফেসবুক পোস্টে নিজের হতাশার কথা তুলে ধরে সোহান লেখেন, “অনেক ইচ্ছা ছিল বাবাকে আর কাজে যেতে দিবো না। ছোট বোনটার পড়ার খরচ দিতে পারবো। সব স্বপ্ন নিমিষে ভেঙে গেল।”

ভেরিফিকেশনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, “আপনাদের হাতে বহু চাকরি প্রার্থীর জীবন-মরণের চাবি। চেষ্টা করিয়েন, আমার মতো কোনো নির্দোষ যেন শাস্তি না পায়।”

সোহানের অভিযোগ, সব শর্ত পূরণ করার পরও ভেরিফিকেশন রিপোর্ট নেতিবাচক দেখিয়ে তার নিয়োগ আটকে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তার পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।

এদিকে সোহানের নিয়োগের বিষয়টি পুনরায় তদন্ত করে প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং তিনি যোগ্য হলে দ্রুত নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তবে ভেরিফিকেশন প্রতিবেদনে নেতিবাচক তথ্যের সুনির্দিষ্ট কারণ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।

দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন