• ঢাকা
  • রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. অপরাধ

শাশুড়ি-জামাই অবৈধ সম্পর্ক দেখে ফেলায় পুত্রবধূকে হত্যার অভিযোগ


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০:০০ পিএম;
শাশুড়ি-জামাই অবৈধ সম্পর্ক দেখে ফেলায় পুত্রবধূকে হত্যার অভিযোগ

লিটু দেবনাথ,পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি :

 

পটুয়াখালীর সদর উপজেলায় গৃহবধূ স্বর্ণা আক্তারের (১৯) মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, শাশুড়ি ও ননদের স্বামীর কথিত অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জেনে যাওয়ায় স্বর্ণাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। 
এ ঘটনায় শাশুড়ি মুনজুমা বেগম, ননদের স্বামী সৌরভসহ শ্বশুরবাড়ির কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।


গত ১৩ জুন শনিবার বিকেলে সদর উপজেলার বড়বিঘাই ইউনিয়নের সি-কেওয়াবুনিয়া বাজারে স্বর্ণার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধন করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।


মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, প্রবাসে থাকা মেয়ের অনুপস্থিতিতে শাশুড়ি মুনজুমা বেগম ও তার মেয়ের স্বামী সৌরভের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। স্বর্ণা বিষয়টি জানতে পেরে ফেলায় তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে তাদের সন্দেহ।

স্বর্ণার মা রিনা বেগম জানান, মৃত্যুর আগের দিন মেয়ের সঙ্গে তার কথা হয়েছিল। তখন স্বর্ণা শাশুড়ি ও ননদের জামাইয়ের সম্পর্ক নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছিল। তার দাবি, এ কথা শাশুড়ি শুনে ফেলেন এবং পরদিনই রহস্যজনকভাবে স্বর্ণার মৃত্যুর খবর আসে। 
পরিবারের ভাষ্য, ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হলেও তারা এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে মনে করছেন।


স্বর্ণার বাবা কামাল হাওলাদারও মেয়ের মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করে বলেন, অনেক কষ্ট করে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন, কিন্তু এমন পরিণতি কখনো কল্পনাও করেননি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ জুন স্বর্ণাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
 এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। ইতোমধ্যে স্বর্ণার স্বামী রাকিবকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে অভিযোগে নাম থাকা শাশুড়ি মুনজুমা বেগম ও সৌরভ বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানা-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, মামলার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন