• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. জাতীয়

৯ গোল হজমের পর নাইটক্লাবে সাদ-সোহেলের ছবি ভাইরাল


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: শুক্রবার, ০২ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০২:৫১ পিএম;
৯ গোল হজমের পর নাইটক্লাবে সাদ-সোহেলের ছবি ভাইরাল

আসিয়ান কাপে ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট শেষ করার পর এমনিতেই ফুটবলপ্রেমীদের ক্ষোভ আর সমালোচনার মুখে পড়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। এই ভরাডুবির মাঝেই আগুনে ঘি ঢেলেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবি।

ইন্দোনেশিয়ান এক তরুণীর পোস্ট করা সেই ছবিতে পানশালা ও ডিস্কোর আবহাওয়ায় দেখা গেছে জাতীয় দলের দুই জ্যেষ্ঠ ফুটবলার সাদ উদ্দিন ও সোহেল রানাকে। 

ইন্টারনেটে ছবিটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ফুটবল ভক্তদের ধারণা আসিয়ান কাপের অতি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে বা পরে নৈশক্লাবে সময় কাটিয়েছিলেন এই দুই ফুটবলার।

ঢাকা পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, ইন্দোনেশিয়ান তরুণী এলেনার সঙ্গে তোলা সেই ছবির সত্যতা অস্বীকার করেননি সাদ কিংবা সোহেল রানা। তবে সময় ও স্থানের হিসাব নিয়ে তাদের দাবি সম্পূর্ণ ভিন্ন।

ছবিটির স্থান জাকার্তা নয় দাবি করে সোহেল রানা বলেন, মোহামেডানে সাইন করার পর আমরা সম্পূর্ণ ফ্রি ছিলাম। জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু হওয়ার আগেই নেপালে ঘুরতে গিয়েছিলাম। তখন একটি (লোডা) ক্লাবে তার সঙ্গে দেখা ও পরিচয় হয়েছিল। এটি জাকার্তা বা ইন্দোনেশিয়ায় নয়।

’অন্যদিকে ইন্দোনেশিয়ান তরুণী এলেনা তার সামাজিক মাধ্যমের হ্যান্ডলে ছবি পোস্ট করে দাবি করেন, বাংলাদেশের এই ফুটবলারদের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়েছিল একটি ‘এইচ ক্লাবে’। এমনকি তারা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া ম্যাচ দেখার জন্যও আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। এলেনা কৌতুক করে লেখেন, ‘যদি মাঠে গিয়ে আমাদের নিজস্ব জাতীয় দলের বদলে বাংলাদেশের জন্য চিয়ার করতাম, তবে বিষয়টি বেশ মজার হতো!’

ইন্দোনেশিয়ায় আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি স্বীকার করে জাকার্তা থেকে সাদ জানান, ‘নেপালে তার সাথে পরিচয়। জাকার্তা আসার পর তাকে খেলা দেখতে আসতে বলেছিলাম, সে আসেনি।’ 

জাতীয় দলের তারকা ফুটবলাররা তরুণ সমাজের অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব।

পেশাদার অ্যাথলেট হয়েও এমন নাইট ক্লাব বা পানশালাকেন্দ্রিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া যে চরম শৃঙ্খলা পরিপন্থী, তা মেনে নিয়ে সংবাদমাধ্যমটির কাছে নিজের ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন সোহেল রানা। তবে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সাদ উদ্দিন বলেন, ‘একটা বিষয়কে না জেনে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা ঠিক নয়। আগে-পেছনে তথ্য থাকতে পারে, আমাদের পরিবার রয়েছে, ব্যক্তিগত জীবন আছে। ঐ সময় ক্লাব কিংবা জাতীয় দলের কোনো খেলা কিংবা ক্যাম্প ছিল না।’

 

উল্লেখ্য, এর আগে ম্যাচ কমিশনারকে ধাক্কা দেওয়ার অপরাধে ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞায় পড়েছিলেন সাদ উদ্দিন। পরে জাতীয় দলের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে ফেডারেশনের ডিসিপ্লিনারি কমিটি সেই শাস্তি কমিয়ে ছয় ম্যাচ করে দেয়, যাতে তিনি জাতীয় দলে খেলতে পারেন। সেই একই ফুটবলার আবারও চরম শৃঙ্খলভঙ্গের অভিযোগে কাঠগড়ায় দাঁড়ালেন।

যদিও সাদ ও সোহেল দুজনেরই দাবি, আসিয়ান কাপ চলাকালে ইন্দোনেশিয়ায় হোটেল থেকে বের হওয়ার ওপর কঠোর বিধিনিষেধ ছিল। 

দৈনিক পুনরুত্থান /

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন