• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

Advertise your products here

  1. লাইফস্টাইল ও বিউটি টিপস

কেরাটোসিস-পিলারিসে ভুগেছেন ইয়ামি, জেনে নিন কী সেই রোগ?


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০:১২ পিএম;
কেরাটোসিস-পিলারিসে ভুগেছেন ইয়ামি, জেনে নিন কী সেই রোগ?

বলিউড অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতমের মিষ্টিমুখের জাদুতে মুগ্ধ তার ভক্ত-অনুরাগীরা। সর্বত্র তার সৌন্দর্য ও মসৃণ ত্বকের প্রশংসা। বয়সের ছাপ সেভাবে চোখে পড়ে না কারও। বরং অভিনেত্রী যেন চিরতরুণী। তার এমন রূপ, গালে এমন গোলাপি আভার নেপথ্যে কোন ধরনের রূপচর্চার কৌশল রয়েছে, তা নিজেই বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন ইয়ামি গৌতম। তিনি আরও জানিয়েছেন, একটা সময়ে তার ত্বক এমন সুন্দর ও আকর্ষণীয় ছিল না।

অথচ ত্বকেরই এক গুরুতর অসুখে ভুগেছিলেন অভিনেত্রী। সে কথাও জানিয়েছেন তিনি। অভিনেত্রী দীর্ঘদিন কেরাটোসিস-পিলারিসে আক্রান্ত ছিলেন। ত্বকের গুরুতর সমস্যায় ভুগেছিলেন তিনি। সারা শরীরে ত্বকে র্যাশ বেরিয়ে গিয়েছিল তার। তবে তা তিনি গোপনও করেননি। তেমন অবস্থাতেও ফটোশুট করেছিলেন ইয়ামি গৌতম।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে— কেরাটোসিস-পিলারিস কী? কেরাটোসিস-পিলারিস রোগটি সামান্যই জানাশোনা। আবার অনেকেই এর নাম শোনেননি। এর লক্ষণও অজানা। রোগটিকে অনেকে বলেন  ‘চিকেন স্কিন’। কারণ ত্বকজুড়েই লালচে ছোট ছোট দানা তৈরি হয় এ রোগে। চামড়া খসখসে হয়ে যায়। লালচে ছোপ পড়ে। কিছু ক্ষেত্রে আবার ছোট দানাগুলো ফুলে উঠে লালচে ফোস্কার মতো তৈরি হয়। হাত, বাহুমূল, গলা-বুক ও নিতম্বে এমন ছোট ছোট লাল ফুস্কুড়ি বা ফোস্কার মতো হতে পারে।

কেরাটোসিস-পিলারিস ছোঁয়াচে অসুখ নয়; ত্বকের মারাত্মক কোনো সংক্রমণও নয়। ত্বকের প্রোটিন কেরাটিনের আধিক্য হলে, তখন মৃতকোষ জমতে থাকে ত্বকের ওপরের স্তরে। এতে রোমকূমের মুখ বন্ধ হয়ে গিয়ে সেখানে ধুলোময়লা, মৃতকোষ জমে ফুস্কুড়ির মতো হয়। সেগুলো সারা ত্বকে ছড়িয়ে গিয়ে লালচে র্যাশ তৈরি করে। অনেক সময়ে চামড়া খসখসে হয়ে মাছের আঁশের মতোও হয়ে যেতে পারে।

এসব সাধারণত বয়ঃসন্ধিকালে ত্বকের এ সমস্যা হয়ে থাকে। হরমোনের গোলমাল হলে কেরাটোসিস হতে পারে। ত্বক যাদের অতিরিক্ত শুষ্ক, অথবা একজিমা বা কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিসের সমস্যা আছে, তাদের এই রোগটি হতে পারে। আবার অ্যালার্জির সমস্যা থাকলেও কেরাটোসিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

এ রোগের আধিক্য বেশি হলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। তা না হলে ঘরোয়া উপায়ে এর সমাধান হতে পারে। যেমন নারিকেল তেল মাখলে ত্বকের ছোট ছোট লালচে দানা বা র্যাশ কমে যেতে পারে। নারিকেল তেলে রয়েছে লরিক অ্যাসিড, যা কেরাটিন জমতে বাধা দেয় এবং প্রদাহ কমায়। স্নানের পর ত্বক হালকা ভেজা থাকতেই নারিকেল তেল ভালো করে মালিশ করতে হবে।

এ ছাড়া অ্যাপল সাইডার ভিনিগার ত্বকের এ সমস্যার সমাধান করতে পারে। কারণ এতে থাকা ম্যালিক অ্যাসিড ত্বকের পিএইচের ভারসাম্য বজায় রাখে। পানি ও ভিনিগার সমপরিমাণে মিশিয়ে একটি তুলার সাহায্যে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে মিনিট দশেক পর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিতে হবে। তবে ত্বক খুব সংবেদনশীল হলে ভিনিগার ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

 

দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান ডেস্ক

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন