ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিরোধ, বাবাকে মারধরের অভিযোগের পর চাচাকে পিটিয়ে জখম
নিজস্ব প্রতিবেদক, পটুয়াখালী:
পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী এলাকায় ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে বাবা ও চাচাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে। বাবাকে মারধরের ঘটনার পরদিন স্থানীয়ভাবে সালিশ হওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই বটতলা বাজারে বিএনপি কার্যালয়সংলগ্ন স্থানে চাচাকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত ব্যক্তিকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অভিযোগকারী শাওন ইসলাম (২৫) জানান, গত ১৪ অক্টোবর বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে খলিশাখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁর বাবা নাসির হাওলাদারকে ডেকে নিয়ে মারধর করা হয়। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়। একই দিন সন্ধ্যায় আবারও তাঁকে মারধর করতে বাড়িতে আসার অভিযোগ করেন শাওন।
শাওনের অভিযোগ, গত ১৩ অক্টোবর অভিযুক্তদের এক আত্মীয় জেসমিন বেগম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। তাঁর বাবা নাসির হাওলাদার ওই পোস্টটি শেয়ার করার পর থেকেই বিরোধের সূত্রপাত হয়।
এ ঘটনার জেরে গত ১৫ অক্টোবর বিকেলে স্থানীয়ভাবে সালিশে বসার কথা ছিল। তবে ওই দিন বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে খলিশাখালী বটতলা বাজারের বিএনপি কার্যালয়সংলগ্ন স্থানে তাঁর চাচা হৃদয় হাওলাদারকে (২৭) একা পেয়ে কয়েকজন বাঁশ দিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন শাওন।
অভিযোগে বলা হয়, মারধরে হৃদয়ের হাত, পা, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। একপর্যায়ে তাঁর মাথা ফেটে রক্তাক্ত জখম হয় এবং তিনি অচেতন হয়ে মাটিতে পড়ে যান। এ সময় তাঁকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি।
পরে স্থানীয়রা আহত হৃদয় হাওলাদারকে দ্রুত পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
শাওন ইসলাম আরও দাবি করেন, অভিযুক্তদের ভয়ে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি পটুয়াখালী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এ ঘটনায় থানায় দেওয়া অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন
আপনার মতামত লিখুন: