• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৭ আগষ্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. অপরাধ

ছেলের বটির কোপে মায়ের দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগষ্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০:৫২ পিএম;
ছেলের বটির কোপে মায়ের দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন

পুনরুত্থান ডেস্ক :

 

যশোর সদর উপজেলার বাজে দুর্গাপুর গ্রামে নিজ মাকে ধারালো বটি দিয়ে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলে মামুনুর রশিদ মামুনের (৪৫) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিহত হয়েছেন আনোয়ারা বেগম (৫৮)। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ছেলে পলাতক রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক অশান্তি ও দাম্পত্য কলহের কারণে মামুন মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে দাবি করেছেন স্বজন ও স্থানীয়রা। প্রায় তিন বছর আগে তাকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে তিনি দুই থেকে তিন মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, মামুনের আগে দুটি বিয়ে হয়েছিল। দুই স্ত্রীর সঙ্গে দাম্পত্য কলহের জেরে বিচ্ছেদ হয়। স্ত্রীদের সঙ্গে বিচ্ছেদের জন্য তিনি তার মা আনোয়ারা বেগমকে দায়ী করতেন বলে স্থানীয়দের দাবি। এ নিয়ে এর আগেও মা-ছেলের মধ্যে বিরোধ ও মারপিটের ঘটনা ঘটেছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর ধরে বাড়ির বাইরে থাকার পর বৃহস্পতিবার বাড়িতে ফেরেন মামুন। বিকেলে পারিবারিক একটি বিষয় নিয়ে মায়ের সঙ্গে কথা বলার সময় তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে তিনি উত্তেজিত হয়ে ধারালো বটি দিয়ে মায়ের গলায় আঘাত করেন বলে অভিযোগ। এতে ঘটনাস্থলেই আনোয়ারা বেগমের মৃত্যু হয়।

চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে মামুন ঘটনাস্থলে বটি ফেলে পালিয়ে যান বলে জানান স্থানীয়রা।

যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্তকে আটকের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে।

পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া করছে।

নিহত আনোয়ারা বেগমের ছেলে মামুনুর রশিদ মামুন বাজে দুর্গাপুর গ্রামের আলতাফ হোসেন মাস্টারের ছেলে। স্থানীয়দের ভাষ্য, মামুন ঝিকরগাছার লাউজানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক ছিলেন।

দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন