নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মাদরাসা থেকে ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার একটি মাদরাসা থেকে আলী হোসেন তাহসিন (১১) নামে এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৩নম্বর ওয়ার্ডের করালিয়া এলাকার দারুল উলুম একাডেমী মাদরাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত তাহসিন একই ওয়ার্ডের পশ্চিম করালিয়া গ্রামের কালা কাজীর বাড়ির মো. নুর টিপুর ছেলে। সে মাদরাসাটির আবাসিক শিক্ষার্থী ছিল।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাহসিন ঈদের ছুটি শেষে গত আট দিন আগে মাদরাসায় আসে। বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিদিনের মতো হিফজ পড়ার পর সে ঘুমিয়ে যায়। শুক্রবার ভোরের দিকে সহপাঠীরা ও শিক্ষক তাকে পড়ার জন্য ডাকেন।
কোনো সাড়া না পেয়ে তারা তার মুখে পানি ছিটান। তারপরও তাহসিনের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠনো হয়।
জানতে চাইলে দারুল উলুম একাডেমী মাদরাসার দায়িত্বে থাকা শিক্ষক ইমরান হোসাইন বলেন, “ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সব কিছু নিয়েছে। বড় হুজুর চরমোনাই ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। রাতে তাহসিন অন্যান্য দিনের মতো ঘুমিয়েছিল। ভোরে তাকে ডাক দিলে সাড়া না দেয়। আমরা মুখে পানি দিয়েছিলাম, কিন্তু শরীর ঠান্ডা থাকায় দ্রুত তাকে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশকে খবর দিয়েছি।”
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মোঃ নুরুল হাকিম বলেন, “প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায়নি। নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”
দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান ডেস্ক
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন
আপনার মতামত লিখুন: